'Man of blood and iron' কাকে বলা হয়?
ক) অটোভন বিসমার্ককে
খ) মহাত্মা গান্ধীকে
গ) হিটলারকে
ঘ) লেলিনকে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জার্মানির চ্যান্সেলর অটোভন বিসমার্ক বিশ্বাস করতেন যে কূটনীতি বা ভোটের মাধ্যমে নয়, বরং যুদ্ধ এবং সামরিক শক্তির ('রক্ত ও লৌহ') মাধ্যমেই জার্মানির ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এই নীতির কারণেই তাকে 'Man of blood and iron' বলা হয়।
Related Questions
ক) ইতালির ঐক্যকরণ
খ) জার্মানির ঐক্যকরণ
গ) সুয়েজ খাল খনন
ঘ) সংবিধান প্রণয়ন
Note : অটোভন বিসমার্ক তার 'রক্ত ও লৌহ' (Blood and Iron) নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন জার্মানভাষী রাজ্যকে একত্রিত করে ১৮৭১ সালে জার্মান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই কারণেই তিনি জার্মানির ঐক্যকরণের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত।
ক) ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
খ) জার্মানির চ্যান্সেলর
গ) ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
ঘ) অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী
Note : অটোভন বিসমার্ক ছিলেন প্রুশিয়ার একজন প্রভাবশালী statesman এবং জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর। তিনি আধুনিক জার্মানিকে একত্রিত করতে মূল ভূমিকা পালন করেন, তাই তাকে জার্মান ঐক্যের স্থপতি বলা হয়।
ক) UK
খ) Canada
গ) France
ঘ) Germany
Note : 'চ্যান্সেলর' জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধানের আনুষ্ঠানিক পদবি। এটি অন্য অনেক দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদের সমতুল্য। জার্মানির ফেডারেল চ্যান্সেলর (Bundeskanzler) দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে থাকেন।
ক) ১৪ দফা ঘোষণা
খ) স্ট্যাচু অব লিবার্টি বক্তৃতা
গ) অ-হস্তক্ষেপ তত্ত্ব
ঘ) কোনোটি নয়
Note : উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী শান্তি আলোচনার ভিত্তি হিসেবে তাঁর বিখ্যাত 'চোদ্দ দফা' (Fourteen Points) নীতি ঘোষণা করেন। এই নীতিগুলোর মধ্যে জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠনের প্রস্তাব ছিল, যা তাকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি এনে দেয়।
ক) প্রেসিডেন্ট উইলসন
খ) প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট
গ) জেনারেল স্মাটস
ঘ) উইন্সটন চার্চিল
Note : প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন তৈরির প্রস্তাব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন। তাঁর বিখ্যাত 'চোদ্দ দফা' নীতির চতুর্দশ দফায় এই সংস্থা (লীগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ) গঠনের কথা বলা হয়েছিল।
ক) অস্ট্রিয়ার সঙ্গে
খ) বুলগেরিয়ার সঙ্গে
গ) তুরস্কের সঙ্গে
ঘ) কোনটিই নয়
Note : ভার্সাই চুক্তিটি বিশেষভাবে জার্মানির ওপর চাপানো হয়েছিল। মিত্রশক্তি অন্যান্য পরাজিত কেন্দ্রীয় শক্তি যেমন অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া ও তুরস্কের সাথে আলাদা আলাদা চুক্তি (যেমন: সেন্ট-জার্মেই চুক্তি, ট্রিয়ানন চুক্তি, সেভ্রেস চুক্তি) করেছিল। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই ভার্সাই চুক্তির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
জব সলুশন