হিটলারের সেনাবাহিনী কোন রণনীতির কারণে চমকপ্রদ বিজয় লাভ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম নয় মাসে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করে?
ক) ব্লিৎসক্রিগ রণনীতি
খ) নৌ অবরোধ রণনীতি
গ) শত্রুকে ধোকায় রাখার রণনীতি
ঘ) ম্যাজিনো লাইন দুর্ভেদ্যতা নীতি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'ব্লিৎসক্রিগ' (Blitzkrieg) বা 'বিদ্যুৎ গতির যুদ্ধ' ছিল জার্মানির একটি যুগান্তকারী রণকৌশল। এতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ট্যাংক, বিমান এবং পদাতিক বাহিনীর সমন্বিত আক্রমণের মাধ্যমে শত্রুকে অপ্রস্তুত করে দেওয়া হতো, যা যুদ্ধের শুরুতে জার্মানিকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দেয়।
Related Questions
ক) Russia
খ) Poland
গ) Croatia
ঘ) France
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যখন অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এই আক্রমণের পর ৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
ক) ১৯২৭ সনের ১২ আগস্ট
খ) ১৯২৮ সনের ২৭ আগস্ট
গ) ১৯২৮ সনের ৩ নভেম্বর
ঘ) ১৯২৯ সনের ৫ জানুয়ারি
Note : 'প্যারিস প্যাক্ট', যা কেলোগ-ব্রিয়ান্ড প্যাক্ট (Kellogg-Briand Pact) নামেও পরিচিত, ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো আন্তর্জাতিক বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য যুদ্ধকে নীতিগতভাবে পরিহার করার অঙ্গীকার করে।
ক) আনোয়ার পাশা
খ) জেনারেল তুরগত ওজা
গ) হারুন-অর-রশীদ
ঘ) কামাল পাশা
Note : মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (কামাল পাশা) তুরস্কে খিলাফত ও সালতানাতের অবসান ঘটিয়ে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যাপক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তাকে 'আধুনিক তুরস্কের জনক' বলা হয়।
ক) মিশর
খ) তুরস্ক
গ) ইরাক
ঘ) ইরান
Note : মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক ছিলেন একজন তুর্কি ফিল্ড মার্শাল, বিপ্লবী রাষ্ট্রনায়ক এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তুরস্কের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ক) তুরস্কে
খ) স্পেনে
গ) সৌদি আরবে
ঘ) ইরানে
Note : মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুর্কি জাতীয় পরিষদ (Turkish Grand National Assembly) ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ আইন পাসের মাধ্যমে ইসলামি খিলাফত পদটি বিলুপ্ত করে। এই ঘটনাটি তুরস্ককে একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল।
ক) 1910
খ) 1914
গ) 1920
ঘ) 1924
Note : তুরস্কে খেলাফতের অবসান হয় ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ। মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্ককে একটি আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
জব সলুশন