জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে 'ভেটো' প্রয়োগের ক্ষমতা রাখে কতজন সদস্য?
ক) 15
খ) 6
গ) 9
ঘ) 5
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র—চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—'ভেটো' ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। এই দেশগুলোর কোনো একটি কোনো প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে তা বাতিল হয়ে যায়।
Related Questions
ক) রুজভেল্ট
খ) স্টালিন
গ) চার্চিল
ঘ) দ্যা গল
Note : 'ইউনাইটেড নেশনস' বা 'জাতিসংঘ' নামটি প্রথম ব্যবহার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ২৬টি দেশের প্রতিনিধিরা 'জাতিসংঘের ঘোষণা' (Declaration by United Nations) স্বাক্ষর করার সময় এই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ক) চার্চিল
খ) উ থান্ট
গ) রুজভেল্ট
ঘ) স্ট্যালিন
Note : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টকে জাতিসংঘের প্রধান স্বপ্নদ্রষ্টা বা প্রস্তাবক হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি এবং উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদের মাধ্যমে এর ভিত্তি স্থাপন করেন এবং 'ইউনাইটেড নেশনস' নামটি তিনিই প্রথম ব্যবহার করেন।
ক) রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচার
খ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টোন চার্চিল
গ) জর্জ ডব্লিউ বুশ ও টনি ব্লেয়ার
ঘ) জিমি কার্টার ও রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
Note : ১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে একটি যুদ্ধজাহাজে মিলিত হয়ে 'আটলান্টিক সনদ' (Atlantic Charter) স্বাক্ষর করেন। এটি ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের জন্য তাদের যৌথ লক্ষ্যগুলোর একটি রূপরেখা।
ক) ব্রিটেন
খ) ফ্রান্স
গ) ইতালি
ঘ) জার্মানি
Note : উইনস্টন চার্চিল ছিলেন যুক্তরাজ্যের (ব্রিটেন) একজন বিখ্যাত রাজনীতিবিদ। তিনি দুই মেয়াদে, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে (১৯৪০-১৯৪৫) এবং পরবর্তীতে (১৯৫১-১৯৫৫) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ক) আইসেন হাওয়ার
খ) জন এফ কেনেডি
গ) রুজভেল্ট
ঘ) ট্রুম্যান
Note : ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (FDR) ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি মহামন্দা মোকাবেলা করেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রায় পুরো সময়টাতেই দেশকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৫ সালে তার মৃত্যুর পর ট্রুম্যান প্রেসিডেন্ট হন।
ক) USA
খ) UK
গ) Germany
ঘ) Japan
Note : জাপানের নাগাসাকি এবং হিরোশিমা উভয় শহরেই বিশ্ব শান্তির প্রতীক হিসেবে 'Peace Statue' বা শান্তির মূর্তি রয়েছে। এগুলো পারমাণবিক বোমার ধ্বংসযজ্ঞের স্মারক এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানায়।
জব সলুশন