জাতিসংঘের Security Council-এর স্থায়ী সদস্য নিম্নলিখিত ব্যাপারে Veto প্রয়োগ করতে পারেন-
ক) Procedural Matters
খ) Non-Procedural Matters
গ) Both types of Matters
ঘ) Neither Type of Matter
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা শুধুমাত্র 'নন-প্রসিডারাল' বা পদ্ধতির বহির্ভূত (substantive) বিষয়ে ভেটো প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ, সাধারণ কার্যপ্রণালী বা পদ্ধতিগত (procedural) বিষয়ে কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই।
Related Questions
ক) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সকল সদস্য রাষ্ট্র
খ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সকল সদস্য রাষ্ট্র
গ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রসমূহ
ঘ) জাতিসংঘের মহাসচিব
Note : শুধুমাত্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র—চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারী।
ক) ল্যাটিন
খ) গ্রিক
গ) ফ্রেঞ্চ
ঘ) ইংরেজি
Note : 'ভেটো' শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে, যার মূল অর্থ হলো 'আমি নিষেধ করছি' (I forbid)। প্রাচীন রোমে কনসাল এবং ট্রাইবিউনরা সিনেটের কোনো সিদ্ধান্ত বাতিল করতে এই ক্ষমতা ব্যবহার করতেন।
ক) গ্রিক শব্দ - আমি নিরপেক্ষ
খ) ল্যাটিন শব্দ - আমি মানি না
গ) ফ্রেন্স শব্দ - আমি ভোট দিলাম
ঘ) ইংরেজি শব্দ - আমার সমর্থন আছে
Note : 'Veto' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ 'আমি নিষেধ করছি' বা 'আমি মানি না'। এটি কোনো আইন বা প্রস্তাবকে কার্যকর হতে বাধা দেওয়ার অধিকারকে বোঝায়।
ক) ভেটো প্রয়োগকারী বিরোধিতা করলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটও কার্যকর হয় না
খ) ভেটো প্রয়োগকারী সমর্থন করলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোেট বিপক্ষে গেলেও প্রস্তাব পাস হবে
গ) ভোট প্রয়োগ না করার প্রথা
ঘ) প্রস্তাব উত্থাপন করার ক্ষমতা
Note : 'ভেটো' হলো কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবকে এককভাবে বাতিল করে দেওয়ার ক্ষমতা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের এই ক্ষমতা রয়েছে। তাদের একটি দেশ কোনো পদ্ধতির বহির্ভূত (non-procedural) প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে, বাকি ১৪টি দেশ পক্ষে থাকলেও প্রস্তাবটি পাস হয় না।
ক) 1933
খ) 1943
গ) 1945
ঘ) 1947
Note : ইয়াল্টা সম্মেলন ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল এবং সোভিয়েত নেতা স্ট্যালিন অংশগ্রহণ করেন।
ক) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
খ) বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
গ) জিব্রালটার প্রণালির সুরক্ষা
ঘ) যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
Note : ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ইয়াল্টা সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল এবং স্ট্যালিন যুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের পুনর্গঠন এবং জার্মানির ভাগ্য নিয়ে আলোচনা করেন। এই সম্মেলনেই জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জব সলুশন