‘ফাকা আওয়াজে কাজ আদায়’- এর সমার্থক বাগধারা কোনটি ?
‘ফাঁকা আওয়াজে কাজ আদায়’- এর সঠিক সমার্থক বাগধারা হলো ‘কথায় চিঁড়া ভিজা’ l এর অর্থ হলো কেবল মুখের মিষ্টি কথায় বা বাগাড়ম্বরে কাজ হাসিল করা |
Related Questions
উদ্ধৃতি চিহ্ন প্রধানত দুই প্রকার:
১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন (Single Quotation Mark): (' ') কোনো উদ্ধৃতির ভেতরে আরেকটি উদ্ধৃতি থাকলে বা কোনো শব্দ বা গ্রন্থের নামের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার জন্য এই চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
২. দ্বৈত বা যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন : কারো প্রত্যক্ষ উক্তি বা সংলাপ হুবহু তুলে ধরতে এই চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: শিক্ষক বললেন, "সদা সত্য কথা বলবে।
‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত (বা তৎসম) ভাষার শব্দ। শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো "বিশেষরূপে বিশ্লেষণ" (বি + আ + কৃ + অন)। সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আগত হওয়ার কারণে একে তৎসম শব্দও বলা হয় |
দম্পতি একটি সমাস সাধিত পদ। ব্যাসবাক্য: জায়া ও পতি (মতান্তরে জায়া ও পতি যার = দম্পতি)।
সমাসের নাম: এটি মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস (অনেক ব্যাকরণে এটি বহুব্রীহি সমাস হিসেবেও গণ্য)।
‘আশীবিষ’ শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের (বিশেষ করে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস) একটি অন্যতম উদাহরণ।
ব্যাসবাক্য: আশীতে (দাঁতে) বিষ যার
সমাস নির্ণয়: বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা: এখানে 'আশী' অর্থ দাঁত এবং 'বিষ' অর্থ বিষ। সমাসবদ্ধ হওয়ার পর এটি অন্য একটি অর্থ অর্থাৎ ‘সাপ’ (যার দাঁতে বিষ থাকে)-কে নির্দেশ করে। যেহেতু সমস্যমান পদ দুটির কোনোটিই প্রধান না হয়ে অন্য পদকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বহুব্রীহি।
ব্যাঙের আধুলি এবং ব্যাঙের সর্দি বাগধারা দুটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
ব্যাঙের আধুলি: এর অর্থ হলো অসম্ভব ঘটনা বা অসম্ভব বস্তু।
ব্যাঙের সর্দি: এর অর্থ হলো অসম্ভব ব্যাপার বা অসম্ভব কল্পনা।
রাবণের চিতা বাগধারাটির যথোপযুক্ত অর্থ হলো চির অশান্তি। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, লঙ্কার রাজা রাবণের চিতা যেমন সবসময় জ্বলতে থাকত এবং কখনও নিভত না,ঠিক তেমনিভাবে যে অশান্তি বা যন্ত্রণা মানুষের মন থেকে কখনও দূর হয় না, তাকেই রাবণের চিতা বলা হয় |
জব সলুশন