দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব-পশ্চিম দ্বন্দ্বের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম ছিল
ক) কমিন্টার্ন
খ) কমিনফর্ম
গ) কমেকন
ঘ) কোনোটি নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কমেকন (COMECON) বা 'Council for Mutual Economic Assistance' ১৯৪৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক জোট ছিল। এটি ছিল পশ্চিমের মার্শাল প্ল্যানের পাল্টা জবাব।
Related Questions
ক) তুরস্ক
খ) ইতালি
গ) ইংল্যান্ড
ঘ) অস্ট্রিয়া
Note : তুরস্ক, ইতালি ও ইংল্যান্ড (যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে) ন্যাটোর দীর্ঘদিনের সদস্য। অস্ট্রিয়া ন্যাটোর সদস্য দেশ নয়।
ক) সৌদি আরব
খ) মিশর
গ) ইরান
ঘ) তুরস্ক
Note : তুরস্ক ১৯৫২ সালে গ্রিসের সাথে ন্যাটোতে যোগদান করে। এটি ন্যাটোর প্রথম এবং দীর্ঘ সময় ধরে একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য রাষ্ট্র ছিল।
ক) সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
খ) বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
গ) চেক প্রজাতন্ত, পোল্যান্ড, জার্মানি
ঘ) ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
Note : Benelux নামটি সদস্য তিনটি দেশের নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে গঠিত: Belgium (বেলজিয়াম), Netherlands (নেদারল্যান্ডস), এবং Luxembourg (লুক্সেমবার্গ)।
ক) 1947
খ) 1949
গ) 1950
ঘ) 1953
Note : ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান সোভিয়েত কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার জন্য একটি বৈদেশিক নীতি ঘোষণা করেন, যা 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' নামে পরিচিত। এর মাধ্যমে গ্রিস ও তুরস্ককে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
ক) France
খ) Germany
গ) Spain
ঘ) Italy
Note : আয়তনের দিক থেকে ফ্রান্স পশ্চিম ইউরোপের বৃহত্তম দেশ। এর মোট আয়তন প্রায় ৫৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (ইউরোপীয় অংশ)।
ক) Political (রাজনৈতিক)
খ) Social (সামাজিক)
গ) Environmental (পরিবেশগত)
ঘ) Military (সামরিক)
Note : ন্যাটো মূলত একটি সামরিক জোট (Military Alliance)। এর মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতি, যেখানে এক সদস্যের উপর আক্রমণ সকল সদস্যের উপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হয়।
জব সলুশন