শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ভাগ করা যায়–
* অর্থগতগত ভাবে বাংলা শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি, যোগরূঢ়।
* উৎপত্তি অনুসারে শব্দ পাঁচ প্রকার : তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ।
* গঠনগত দিকে শব্দ দুই ভাগে বিভক্ত; মৌলিক ও সাধিত।
Related Questions
হযরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব” বাক্যটি একটি সরল বাক্য।
যে সুবিন্যাস্ত পদের সমষ্টি দ্বারা কোন বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় তাকে বাক্য বলে। গঠনের দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার। যথা : সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন : হযরত মুহাম্মদ সঃ ছিলেন একজন আদর্শ মানব।
‘ষড়ঋতু’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ষট্ (ছয়) + ঋতু (মৌসুম) — এই দুটি শব্দের মিলনে।
সন্ধি হওয়ার সময় ‘ষট্’ শব্দের শেষে থাকা ট্ ধ্বনির পরে ঋ (ঋতু) এলে তা ষড় রূপ নেয়।
অর্থাৎ,
👉 ষট্ + ঋতু → ষড়ঋতু
পর্তুগিজ শব্দসমূহ : আনারস , আতা, আলপিন, আলকাতরা, আলমারি, কেদারা, কামরা, কেরানি, গির্জা , গুদাম , চাবি , জানালা, পেয়ারা, পাউরুটি ,পাদ্রি, বালতি, ইংরেজ, তোয়ালে ইত্যাদি। চেয়ার ও টেবিল - ইংরেজি এবং শরবত - আরবি শব্দ।
যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।
”অক্ষির সমীপে” - এর সংক্ষেপণ হলো - - সমক্ষ ।
অক্ষির অগোচর - পরোক্ষ, অক্ষির সম্মুখে - প্রত্যক্ষ, এবং অক্ষির সমীপে - এর সংক্ষেপণ হলো সক্ষম ।
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হলাে যে সমাসে একই রূপ দুটি বিশেষ্যপদ এক সাথে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করে যেমন — কানে কানে যে কথা = কানাকানি । তৎপুরুষ সমাস হলাে যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় । যেমন — ঢেঁকিতে ছাঁটা = ঢেঁকিছাঁটা । এখানে লাঠালাঠি = লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ , অর্থাৎ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ।
জব সলুশন