আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক ও কুয়েত- এই রাষ্ট্রগুলো প্রাচীন কোন সভ্যতার অংশ?
ক) মিশরীয় সভ্যতা
খ) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
গ) সিন্ধু সভ্যতা
ঘ) রোমান সভ্যতা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এর কেন্দ্র ছিল ইরাক, কিন্তু এর প্রভাব ও সীমানা আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান এবং কুয়েত পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এই রাষ্ট্রগুলো সেই প্রাচীন সভ্যতার ভৌগোলিক উত্তরাধিকার বহন করছে।
Related Questions
ক) সিরিয়া
খ) মরক্কো
গ) ইরাক
ঘ) লেবানন
Note : প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলটিই বর্তমানে মূলত ইরাক নামে পরিচিত। তাই মেসোপটেমিয়ার বর্তমান নাম ইরাক।
ক) ইরাক
খ) ইরান
গ) তুরস্ক
ঘ) সিরিয়া
Note : প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার মূল কেন্দ্র ছিল বর্তমান ইরাক রাষ্ট্র। যদিও এর কিছু অংশ আধুনিক ইরান, তুরস্ক এবং সিরিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে সভ্যতার প্রধান শহরগুলো (যেমন ব্যাবিলন, উর) ইরাকেই অবস্থিত ছিল। তাই ইরাকই সঠিক উত্তর।
ক) মিশরীয় সভ্যতা
খ) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
গ) ইনকা সভ্যতা
ঘ) সিন্ধু সভ্যতা
Note : দজলা (টাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর অববাহিকা মেসোপটেমীয় সভ্যতার জন্মস্থান। এই ভৌগোলিক অবস্থানটিই সভ্যতার নামকরণের কারণ।
ক) ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
খ) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
গ) নীলনদের তীরে
ঘ) হোয়াংহো নদীর তীরে
Note : 'মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ, যার অর্থ 'দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি'। এই সভ্যতাটি বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর উর্বর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল, যা এটিকে কৃষিকাজ ও নগর বিকাশের জন্য আদর্শ স্থানে পরিণত করেছিল।
ক) মিশরীয়
খ) গ্রিক
গ) চৈনিক
ঘ) পারস্য
Note : এটি প্রায় ৩১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে নীল নদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। যদিও মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে সার্বিকভাবে প্রাচীনতম বলা হয়, এই নির্দিষ্ট অপশনগুলোর মধ্যে মিশরীয় সভ্যতাই সঠিক উত্তর।
ক) গ্রিক সভ্যতা
খ) সিন্ধু সভ্যতা
গ) সুমেরীয় সভ্যতা
ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
Note : মেসোপটেমীয় সভ্যতার মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতাই হলো প্রথম সংগঠিত সভ্যতা, যা নগর, লিখন পদ্ধতি (কিউনিফর্ম), এবং আইন ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর জন্ম দিয়েছিল। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতা প্রাচীনতম।
জব সলুশন