হায়রোগ্লিফিক হলো-
ক) একটি জাতির নাম
খ) একটি লিখন পদ্ধতির নাম
গ) একটি দেশের নাম
ঘ) একটি মূর্তির নাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
হায়ারোগ্লিফিক (Hieroglyphic) হলো প্রাচীন মিশরীয়দের ব্যবহৃত একটি চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি। এতে ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করে শব্দ বা ধ্বনি প্রকাশ করা হতো। এটি কোনো জাতি, দেশ বা মূর্তির নাম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ লিখন ব্যবস্থা।
Related Questions
ক) হেলেনীয় সভ্যতা
খ) সিন্ধু সভ্যতা
গ) মিশরীয় সভ্যতা
ঘ) আসিরীয় সভ্যতা
Note : নেফারতিতি ছিলেন প্রাচীন মিশরের ফারাও আখেনাতেনের স্ত্রী এবং তার আবক্ষ মূর্তিটি মিশরীয় শিল্পের এক অনবদ্য নিদর্শন। এই ভাস্কর্যটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার প্রতীক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। সুতরাং, সঠিক উত্তর মিশরীয় সভ্যতা।
ক) হিব্রু ধর্ম
খ) প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম
গ) ইসলাম ধর্ম
ঘ) খ্রিষ্ট ধর্ম
Note : সাধারণভাবে হিব্রু ধর্মকে প্রথম সংগঠিত একেশ্বরবাদী ধর্ম বলা হলেও, তারও আগে মিশরের ফারাও আখেনাতেন শুধুমাত্র সূর্যদেবতা 'আতেন'-এর উপাসনা প্রবর্তন করেন, যা ছিল একেশ্বরবাদের একটি প্রাথমিক রূপ। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই 'প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম'-কে প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে ধরা যায়।
ক) গঙ্গা
খ) নীল নদ
গ) হোয়াংহো
ঘ) রাইন
Note : প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা সম্পূর্ণরূপে নীল নদের উপর নির্ভরশীল ছিল। নীল নদের বার্ষিক বন্যা পলিমাটি ফেলে জমিকে উর্বর করত, যা ছিল মিশরের কৃষি ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি। এজন্যই ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস মিশরকে 'নীল নদের দান' বলেছেন।
ক) সুমেরীয়
খ) ব্যবিলনীয়
গ) অ্যাসিরীয়
ঘ) ক্যালডীয়
Note : সাত দিনে এক সপ্তাহ গণনার রীতিটি ক্যালডীয়রা (নব-ব্যাবিলনীয়রা) প্রবর্তন করেছিল, যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এটি তাদের জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার একটি ফল।
ক) মিশরীয়রা
খ) গ্রিকরা
গ) ক্যালডীয়রা
ঘ) ককেসীয়রা
Note : প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ক্যালডীয়রাই জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার অংশ হিসেবে আকাশকে পর্যবেক্ষণ করে এবং সাতটি পরিচিত গ্রহের নাম অনুসারে সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করার প্রথা চালু করে।
ক) রোমান
খ) গ্রিক
গ) ক্যালডীয়
ঘ) পারস্য
Note : ক্যালডীয়রা (নব-ব্যাবিলনীয়) জ্যোতির্বিজ্ঞানে তাদের অবদানের জন্য বিখ্যাত। তারাই প্রথম দিনকে ২৪ ঘণ্টায় (বা ১২ জোড়া ঘণ্টায়) বিভক্ত করার পদ্ধতি চালু করে এবং সপ্তাহকে ৭ দিনে বিভক্ত করার ধারণাও দেয়।
জব সলুশন