ঢাকায় সুবা-বাংলার রাজধানী কখন স্থাপিত হয়?
১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর। স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকা চারবার (১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে) বাংলার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।
Related Questions
বাংলাদেশের "White Gold" বা সাদা সোনা বলা হয় চিংড়ি মাছকে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কারণে চিংড়ি শিল্পকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে।
শায়েস্তা খান মগ জলদস্যুদের তাড়িয়ে চট্টগ্রাম দখল করেন এবং এর নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’। পরে তিনি ছোট কাটরা এবং মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদ (১৬৮০ সালে) নির্মাণ করেন। উল্লেখ্য, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ক্ষমতা দখল করে ইসলাম খানকে বাংলার সুবেদার (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) নিয়োগ করেন।
মানব সভ্যতার শুরু কৃষি থেকে, কারণ কৃষির মাধ্যমে মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- নওয়াব আব্দুল লতিফ : বাংলায় মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তার প্রচেষ্টায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় এবং মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলা হয়। তিনি ১৮৫৪ সালে রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত হিন্দু কলেজকে প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করেন। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ : ভারতের মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত স্যার সৈয়দ আহমদ ১৮৭৫ সালে 'মোহামেডান অ্যাংলো- ওরিয়েন্টাল কলেজ' স্থাপন করেন যা পরে ১৯২০ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। এ প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ধারার সৃষ্টি হয় তা উপমহাদেশের ইতিহাসে ‘আলীগড় আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- সৈয়দ আমীর আলী : মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পন্ডিত, বিশ্লেষক ও শক্তিশালী লেখক ছিলেন। 'The Spirit of Islam' তার লিখা একটি উল্লেখযোগ্য বই।
- নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ : ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী ও তাদের দোসরদের ক্রমাগত আক্রমণ থেকে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্ম রক্ষায় তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ বা নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদর দপ্তরে সংঘটিত হয়।
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী । ব্রিটিশ শাসনামলে অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (২৪ এপ্রিল ১৯৪৭ - ১৪ আগস্ট ১৯৪৭) । আর অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক (১৯৩৭) । আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
জব সলুশন