বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী ব্রহ্মপুত্র যমুনার সাথে নিন্মোক্ত একটি জায়গায় মেশে-
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র - যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে - - - - - গোয়ালন্দ।
বাংলাদেশে যমুনা নদীর (ব্রহ্মপুত্রের বৃহত্তম শাখানদী) সঙ্গমস্থল পর্যন্ত গঙ্গার মূল শাখাটি পদ্মা নামে পরিচিত। আরও দক্ষিণে গিয়ে গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখানদী মেঘনার সঙ্গে মিশে মেঘনা নাম ধারণ করে শেষপর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র নদীর বদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ।
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সুরমা - মেঘনা নদীর মিলিত জলপ্রবাহের চেয়ে একমাত্র আমাজন ও কঙ্গো নদীর জলপ্রবাহের পরিমাণ বেশি। পূর্ণ প্লাবনের ক্ষেত্রে একমাত্র আমাজনই দুই নদীর মধ্যে বৃহত্তর।
Related Questions
হযরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব” বাক্যটি একটি সরল বাক্য।
যে সুবিন্যাস্ত পদের সমষ্টি দ্বারা কোন বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় তাকে বাক্য বলে। গঠনের দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার। যথা : সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন : হযরত মুহাম্মদ সঃ ছিলেন একজন আদর্শ মানব।
‘ষড়ঋতু’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ষট্ (ছয়) + ঋতু (মৌসুম) — এই দুটি শব্দের মিলনে।
সন্ধি হওয়ার সময় ‘ষট্’ শব্দের শেষে থাকা ট্ ধ্বনির পরে ঋ (ঋতু) এলে তা ষড় রূপ নেয়।
অর্থাৎ,
👉 ষট্ + ঋতু → ষড়ঋতু
পর্তুগিজ শব্দসমূহ : আনারস , আতা, আলপিন, আলকাতরা, আলমারি, কেদারা, কামরা, কেরানি, গির্জা , গুদাম , চাবি , জানালা, পেয়ারা, পাউরুটি ,পাদ্রি, বালতি, ইংরেজ, তোয়ালে ইত্যাদি। চেয়ার ও টেবিল - ইংরেজি এবং শরবত - আরবি শব্দ।
যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।
”অক্ষির সমীপে” - এর সংক্ষেপণ হলো - - সমক্ষ ।
অক্ষির অগোচর - পরোক্ষ, অক্ষির সম্মুখে - প্রত্যক্ষ, এবং অক্ষির সমীপে - এর সংক্ষেপণ হলো সক্ষম ।
জব সলুশন