দ্যুলোক’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক) দুঃ + লোক
খ) দি + লোক
গ) দিঃ+ লোক
ঘ) দিব্ + লোক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
শব্দের শেষে 'ব্'-এর পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি (যেমন ল) থাকলে 'ব্' লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে 'ও'-কার যুক্ত হয়। এখানে 'দিব্' (স্বর্গ) + 'লোক' = দ্যুলোক। এটি একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম।
Related Questions
ক) পরী+ঈক্ষা
খ) পড়ি+ঈক্ষা
গ) পরী+ইক্ষা
ঘ) পরি+ঈক্ষা
Note : ই-কারের পর ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঈ-কার (ী) হয়। এখানে 'পরি' একটি উপসর্গ এবং 'ঈক্ষা' (অর্থ: দর্শন বা অবলোকন) মূল শব্দ। সুতরাং, পরি (ই) + ঈক্ষা (ঈ) = পরীক্ষা (ী)। 'ঈক্ষা' বানানে দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ) হয়, এটি মনে রাখা জরুরি।
ক) বহ্ন্যু + উৎসব
খ) বহ্নুৎ + সব
গ) বহ্ন্য + উৎসব
ঘ) বহ্নি + উৎসব
Note : ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই/ঈ স্থানে য-ফলা (্য) হয়। এখানে, বহ্নি (ই) + উৎসব (উ) = বহ্ন্যুৎসব। 'ই' এবং 'উ' মিলে '্য' এবং 'ু' কার (্যু) তৈরি করেছে।
ক) মন + ইষা
খ) মনস + ঈষা
গ) মন + ঈষা
ঘ) মনস + ইষা
Note : প্রচলিত নিয়ম অনুসারে এর গঠন ব্যাখ্যা করা কঠিন। তবে প্রথাগতভাবে এর সন্ধি-বিচ্ছেদকে 'মনস + ঈষা' হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে 'স' লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বর 'অ' ও 'ঈ' মিলে 'ঈ'-কার হয়। এখানে 'ঈষা' বানানটিও গুরুত্বপূর্ণ।
ক) চতুর+পদ
খ) চতুর্ষ+পদ
গ) চতু+ পদ
ঘ) চতুঃ+পদ
Note : নিয়মটি হলো, অ/আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পরের বিসর্গের (ঃ) সঙ্গে ক, খ, প, ফ যুক্ত হলে বিসর্গটি মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয়ে যায়। এখানে, চতুঃ (উ-কারান্ত) + পদ = চতুষ্পদ। তাই 'চতুঃ+পদ' সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ।
ক) বিদ্যা + আলয়
খ) বিদ্য + আলয়
গ) বিদ্যা + লয়
ঘ) বিদ + আলয়
Note : এখানে 'বিদ্যালয়' শব্দটি ভাঙলে দুটি অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়: 'বিদ্যা' (জ্ঞান) এবং 'আলয়' (গৃহ)। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর অ-কার বা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার (া) হয়। অর্থাৎ, বিদ্যা (আ) + আলয় (আ) = বিদ্যালয় (আ)।
ক) বাক্+দান= বাগদান
খ) উৎ+ছেদ=উচ্ছেদ
গ) পর+পর=পরস্পর
ঘ) সম+সার=সংসার
Note : নিপাতনে সিদ্ধ' সন্ধি হলো সেইসব সন্ধি যা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মানে না, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ বা প্রচলিত। এখানে 'পর+পর=পরস্পর' একটি নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। অন্য অপশনগুলো নির্দিষ্ট নিয়ম (ব্যঞ্জনসন্ধি) অনুসরণ করে।
জব সলুশন