কোন সমাসে কোনো পদের অর্থ প্রাধান্য পায় না
ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) অব্যয়ীভাব
ঘ) কর্মধারয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর (পূর্বপদ বা পরপদ) কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, সমস্তপদটি তৃতীয় বা ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: দশানন (দশ আনন যার) বলতে রাবণকে বোঝায়, দশ বা আননকে নয়।
Related Questions
ক) বিপরীতার্থক
খ) সমার্থক
গ) মিলনার্থক
ঘ) বিরোধার্থক
Note : জ্বিন' ও 'পরী' শব্দ দুটি ভিন্ন হলেও এদের মধ্যে অর্থগত ও প্রায়োগিক একটি মিল রয়েছে। এই ধরনের শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
ক) বিশেষ্য ও বিশেষণ
খ) বিশেষণ ও ক্রিয়া
গ) বিশেষ্য ও বিশেষ্য
ঘ) বিশেষণ ও বিশেষণ
Note : এখানে 'হাঁড়ি' একটি বিশেষ্য পদ। এটিকে দুইবার ব্যবহার করে ('হাঁড়ি হাঁড়ি') আধিক্য বা বহুবচন বোঝানো হয়েছে। সুতরাং, এটি বিশেষ্য ও বিশেষ্য পদের যোগে গঠিত বহুবচন।
ক) বৃক্ষরা
খ) বৃক্ষগুলো
গ) বৃক্ষবর্গ
ঘ) বৃক্ষরাজি
Note :
একের বেশি সংখ্যা বুঝাতে যেসব লগ্নক (রা,এরা,গুলো ,গুলি,দের ,রাজি ,মালা ,সমূহ ) বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয় ,সেগুলোকে বচন বলে।অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ/লগ্নক রাজি -বৃক্ষরাজি ,তারকারাজি
ক) তরঙ্গমালা
খ) তরঙ্গস্বর
গ) তরঙ্গরাশি
ঘ) তরঙ্গল
Note : তরঙ্গ' শব্দের বহুবচন হিসেবে 'তরঙ্গমালা' বা 'তরঙ্গরাজি' ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'তরঙ্গমালা' সঠিক উত্তর।
ক) প্রয়োগভেদে
খ) লিঙ্গভেদে
গ) অর্থভেদে
ঘ) বচনভেদে
Note : বাংলা ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ কর্তা বা কর্মের পুরুষ (person) এবং কাল (tense) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, কিন্তু লিঙ্গ (gender) ভেদে (যেমন- ছেলেটি যায়, মেয়েটি যায়) ক্রিয়ার রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না।
ক) রাজি
খ) আবলি
গ) গুলো
ঘ) মালা
Note : 'মেঘ' শব্দের সাথে 'মালা' লগ্নকটি ব্যবহার করে বহুবচন করা হয়, যা কাব্যিক এবং সাহিত্যিক প্রয়োগে শুদ্ধ। যেমন: মেঘমালা। 'মেঘরাজি' ব্যবহার হলেও 'মেঘমালা' অধিক প্রচলিত ও শুদ্ধ।
জব সলুশন