উপকূল’ কোন সমাস?
ক) দ্বিগু সমাস
খ) তৎপুরুষ সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বা অব্যয়সূচক শব্দ বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। 'উপকূল' এর ব্যাসবাক্য 'কূলের সমীপে'। এখানে 'উপ' অব্যয়টি 'সমীপে' বা নিকটবর্তী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থই প্রধান। তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
Related Questions
ক) তৎপুরুষ
খ) বহুব্রীহি
গ) কর্মধারয়
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note : 'নদীমাতৃক' এর ব্যাসবাক্য হলো 'নদী মাতা যার'। এখানে 'নদী' বা 'মাতা' পদের অর্থ প্রধান না হয়ে, এমন একটি দেশ বা অঞ্চলকে বোঝাচ্ছে যার মাতা নদী। অর্থাৎ তৃতীয় একটি অর্থ প্রাধান্য পাওয়ায় এটি বহুব্রীহি সমাস।
ক) একটি মাত্র
খ) অনুকূল
গ) আনাগোনা
ঘ) রামেশ্বর
Note : যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। 'একটি মাত্র' সমাসবদ্ধ হয়ে 'একমাত্র' হয়। এর কোনো ব্যাসবাক্য নেই। তাই এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।
ক) গুরুদেব
খ) মৌমাছি
গ) মহাজন
ঘ) কাঁচামিঠে
Note : যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় বলে। 'মৌমাছি'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'মৌ আশ্রয় করে যে মাছি'। এখানে 'আশ্রয় করে যে' অংশটি লোপ পেয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
ক) মনমরা
খ) মনহড়া
গ) মনমাঝি
ঘ) পরাণপ্রিয়
Note : রূপক কর্মধারয়ে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং উপমেয় পদ পূর্বে বসে। 'মনমাঝি'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'মন রূপ মাঝি'। এখানে মন এবং মাঝিকে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। তাই এটি রূপক কর্মধারয়।
ক) পরপদ
খ) পূর্বপদ
গ) উভয় পদ
ঘ) অন্য পদ
Note : দ্বিগু সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়। সমস্তপদটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝালেও অর্থের দিক থেকে পরপদের (বিশেষ্য) অর্থই প্রধান থাকে। যেমন: তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা। এখানে 'ফল' পদটি প্রধান।
ক) বিমনা
খ) সজ্জন
গ) প্রভাত
ঘ) নির্বিঘ্ন
Note : বিমনা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'বিশেষ মন যার' বা 'বিক্ষিপ্ত মন যার'। এখানে 'বি' বা 'মন' কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে, একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে (বিমনা ব্যক্তি) বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। অন্যগুলো (সৎ যে জন=সজ্জন, বিঘ্নের অভাব=নির্বিঘ্ন) ভিন্ন সমাস।
জব সলুশন