বাচ্য প্রধানত কত প্রকার?
ক) ৩ প্রকার
খ) ৫ প্রকার
গ) ৪ প্রকার
ঘ) ৬ প্রকার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য প্রধানত তিন প্রকার: ১. কর্তৃবাচ্য (Active Voice), ২. কর্মবাচ্য (Passive Voice), এবং ৩. ভাববাচ্য (Impersonal Voice)। কর্মকর্তৃবাচ্যকে কর্তৃবাচ্যের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে ধরা হয়।
Related Questions
ক) কর্মকর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) কর্তৃবাচ্য
ঘ) ভাববাচ্য
Note : যখন বাক্যের কর্মपदটিই কর্তার মতো কাজ করে, তখন তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। এখানে 'বাঁশী' নিজে বাজে না, কেউ বাজায়। কিন্তু বাক্যে কর্তা অনুপস্থিত এবং কর্ম 'বাঁশী' কর্তার ভূমিকা পালন করছে। তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্য।
ক) কর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) ভাববাচ্য
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : যে বাচ্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয় এবং কর্তা বা কর্মের প্রাধান্য থাকে না, তাকে ভাববাচ্য বলে। এখানে 'থাকা' ক্রিয়াটির ভাবই প্রধান এবং কর্তা এখানে উহ্য বা গৌণ। তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ।
ক) কর্মকারকে শূণন্য
খ) করণকারকে শূন্য
গ) সম্প্রদানকারকে শূন্য
ঘ) অধিকরণকারকে শূন্য
Note : ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। 'আরেফ কী পড়ে?'—উত্তরে আসে 'বই'। সুতরাং 'বই' হলো কর্ম কারক। এর সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
ক) কর্মে ৫মী
খ) করণে ৩য়া
গ) অপাদানে ৫মী
ঘ) কর্তায় ৭মী
Note : যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, জাত, বিচ্যুত, রক্ষিত, ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। 'ধন হইতে' সুখ হয় না—এখানে 'হইতে' অনুসর্গটি অপাদান কারকের চিহ্ন এবং এটি পঞ্চমী বিভক্তির কাজ করে। তাই এটি অপাদানে পঞ্চমী।
ক) কর্ম কারকে ৭মী
খ) অধিকরণ কারকে ৭মী
গ) অপাদান কারকে ৭মী
ঘ) করণ কারকে ৭মী
Note : 'কিসে মন বসে না?'—উত্তরে আসে 'পড়ায়'। এখানে 'পড়া' একটি বিষয়, যা অধিকরণ কারকের একটি প্রকার (বিষয়াধিকরণ)। 'পড়া' শব্দের সাথে 'য়' (এ) বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি।
ক) কর্তায় সপ্তমী
খ) কর্মে শূন্য
গ) অপাদানে সপ্তমী
ঘ) করণে ২য়া
Note : যা থেকে কোনো কিছু রক্ষিত, ভীত, উৎপন্ন, বিচ্যুত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে 'বিপদ থেকে' রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। কোনো কিছু 'হতে', 'থেকে', 'চেয়ে' বোঝালে অপাদান কারক হয়। 'বিপদ' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি অপাদানে সপ্তমী।
জব সলুশন