কোন বাগধারাটির অর্থ 'সুবিধা করা'?
ক) হাটে হাঁড়ি ভাঙা
খ) হালে পানি পাওয়া
গ) বাঁ হাতের ব্যাপার
ঘ) ছিনিমিনি খেলা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'হালে পানি পাওয়া' বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নৌকার হাল বা বৈঠা কার্যকর হওয়া। আলঙ্কারিক অর্থে এর মানে হলো কোনো কঠিন অবস্থা থেকে সুবিধা বা স্বস্তিকর অবস্থায় আসা।
Related Questions
ক) একাদশে বৃহস্পতি
খ) চাঁদের হাট
গ) পোয়াবারো
ঘ) রাহুর দশা
Note : 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় ধারণা, যেখানে বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে থাকলে সৌভাগ্য নির্দেশ করে। তাই এই বাগধারাটির অর্থ 'সৌভাগ্যের বিষয়' বা 'খুব ভালো সময়'।
ক) আগমন
খ) বাহির
গ) উত্তমর্ণ
ঘ) তিরোভাব
Note : বানানটি সম্ভবত 'আবির্ভাব' হবে। 'আবির্ভাব' অর্থ প্রকাশ বা উদয়। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'তিরোভাব', যার অর্থ অন্তর্ধান বা অদৃশ্য হওয়া।
ক) নিম্নকর্ষ
খ) অপকর্ষ
গ) উৎসর্গ
ঘ) কোনটাই নয়
Note : 'উৎকর্ষ' অর্থ উন্নতি, শ্রেষ্ঠত্ব বা শ্রীবৃদ্ধি। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'অপকর্ষ', যার অর্থ অবনতি বা হীনতা। 'অপ' উপসর্গটি এখানে নিম্নগামী বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করছে।
ক) সহকারী
খ) সাগরেদ
গ) শিষ্য
ঘ) কোনটিই নয়
Note : 'ওস্তাদ' অর্থ গুরু, শিক্ষক বা কোনো বিষয়ে পারদর্শী ব্যক্তি। এর প্রচলিত বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'সাগরেদ', যার অর্থ শিষ্য বা ছাত্র। 'শিষ্য' শব্দটিও সঠিক, কিন্তু 'সাগরেদ' শব্দটি 'ওস্তাদ' শব্দের সঙ্গে বেশি প্রচলিত।
ক) ভাটা
খ) ভাঁটা
গ) জুয়াড়ি
ঘ) জোয়ারা
Note : 'জোয়ার' বলতে নদীর জল ফুলে ওঠাকে বোঝায়। এর প্রাকৃতিক বিপরীত অবস্থা হলো নদীর জল নেমে যাওয়া, যাকে 'ভাটা' বলা হয়। 'ভাঁটা' বানানটি ভুল।
ক) মিলন
খ) বিরহ
গ) সন্ধি
ঘ) পরিণয়
Note : 'বিচ্ছেদ' অর্থ পৃথক হওয়া বা আলাদা হওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো 'সন্ধি', যার অর্থ মিলন বা সংযোগ স্থাপন। যদিও 'মিলন' কাছাকাছি অর্থ বহন করে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'বিচ্ছেদ'-এর প্রমিত বিপরীত শব্দ 'সন্ধি' (যেমন: সন্ধি-বিচ্ছেদ)। 'পরিণয়' অর্থ বিবাহ।
জব সলুশন