সমীভবনের উদাহরণ কোনটি?
ক) শুনিয়া > শুনে
খ) কর্ম > কৰ্ম্ম
গ) ফাল্গুন > ফাগুন
ঘ) চাল > চাউল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সমীভবন (Assimilation) হলো একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনির পরিবর্তন হয়ে দুটি ধ্বনি সমতা লাভ করার প্রক্রিয়া। 'কর্ম > কৰ্ম্ম' উদাহরণে 'র'-এর প্রভাবে 'ম' দ্বিত্ব হয়ে 'ম্ম' হয়েছে, যা একটি প্রগত সমীভবনের উদাহরণ। 'শুনিয়া > শুনে' হলো অভিশ্রুতি এবং 'ফাল্গুন > ফাগুন' হলো ব্যঞ্জনচ্যুতি।
Related Questions
ক) অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য।
খ) অল্পজ্ঞান বিপজ্জনক।
গ) সে ভীষণ বিপদগ্রস্ত।
ঘ) কাব্যটির ভাষায় দীনতা আছে।
Note : অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী' একটি প্রচলিত প্রবাদ। 'অল্পজ্ঞান বিপজ্জনক' বাক্যটি গঠনগতভাবে শুদ্ধ হলেও, প্রবাদের বিকৃত রূপ হওয়ায় এটিকে অশুদ্ধ ধরা হয়। প্রবাদের মূল রূপটিই ব্যবহার করা উচিত। অন্য বাক্যগুলো গঠন ও অর্থগতভাবে শুদ্ধ।
ক) বল
খ) ঘাস
গ) জাল
ঘ) তাল
Note : যে ধ্বনি উচ্চারণে দুই ঠোঁট (ওষ্ঠ) ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বিওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। বাংলা প-বর্গের ধ্বনি (প, ফ, ব, ভ, ম) হলো দ্বিওষ্ঠ্য ধ্বনি। প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে 'বল' শব্দটিতে 'ব' ধ্বনিটি রয়েছে, যা একটি দ্বিওষ্ঠ্য ধ্বনি।
ক) নববসন্ত
খ) বিরস সংলাপ
গ) 'হাওয়া, তোমার কী দুঃসাহস'
ঘ) দুঃস্বপ্ন থেকে দুঃস্বপ্নে
Note : আবুল হোসেনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'নববসন্ত', যা ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে আত্মপ্রকাশ করেন।
ক) গৌণ
খ) মুখ্য
গ) পরোক্ষ
ঘ) সমার্থ
Note : শব্দের তিনটি অর্থস্তর রয়েছে: বাচ্যার্থ, লক্ষ্যার্থ ও ব্যঙ্গার্থ। 'বাচ্যার্থ' হলো শব্দের অভিধানগত বা সরাসরি অর্থ, যা তার মুখ্য বা প্রাথমিক অর্থ। যেমন: 'বাঘ' বললে বাচ্যার্থে একটি নির্দিষ্ট হিংস্র পশুকেই বোঝায়।
ক) বর্ণচোরা
খ) লেফাফা দুরস্ত
গ) চশমখোর
ঘ) তীর্থের কাক
Note : বর্ণচোরা' বাগধারাটি দিয়ে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যে তার আসল রূপ বা চরিত্র লুকিয়ে রাখে, অর্থাৎ কপট বা ভণ্ড। 'লেফাফা দুরস্ত' মানে বাইরের দিক থেকে ফিটফাট, 'চশমখোর' মানে নির্লজ্জ এবং 'তীর্থের কাক' মানে প্রতীক্ষারত ব্যক্তি।
ক) নির্বেদ
খ) নির্মোক
গ) সংস্কৃতি
ঘ) নভশ্চর
Note : জাগতিক বা সংসারের প্রতি অনাসক্তি, উদাসীনতা বা বিরাগভাবকে এককথায় 'নির্বেদ' বলা হয়। এটি দর্শন ও সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ।
জব সলুশন