গীতাঞ্জলি, অগ্নিবীণা কোন বিশেষ্য ?
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গ্রন্থের নাম বোঝানো হয়, তাকে সংজ্ঞাবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য (Proper Noun) বলে। 'গীতাঞ্জলি' ও 'অগ্নিবীণা' দুটি নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নাম, তাই এগুলো সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য।
Related Questions
কাজটি শীঘ্র শেষ কর'—এই বাক্যে 'শেষ কর' একটি সমাপিকা ক্রিয়া এবং এখানে কাজটি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য বাক্যগুলিতে 'শেষ' শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (যেমন: সুখের শেষ, শেষ কথা, যার শেষ ভাল)।
চঞ্চল', 'চতুর' এবং 'চালাক'—এই তিনটি শব্দই কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ প্রকাশ করে, তাই এগুলো বিশেষণ পদ। অন্যদিকে, 'চাতুর্য' হলো একটি গুণের নাম (চালাক হওয়ার ভাব), যা একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।
যে বিশেষণ কোনো বস্তুর অংশ বা খণ্ডাংশ বোঝায়, তাকে অংশবাচক বিশেষণ বলে। 'অর্ধেক সম্পত্তি' বলতে সম্পূর্ণ সম্পত্তির একটি অংশকে বোঝানো হচ্ছে। অন্য বিকল্পগুলো পরিমাণবাচক (পাঁচ শতাংশ, হাজার টনী) বা সংখ্যাবাচক (ছ' কিলোমিটার) বিশেষণ।
বাংলা ভাষায় ক্রিয়াপদ পুরুষ (person) এবং কাল (tense) ভেদে পরিবর্তিত হয়, কিন্তু বচন (number) ভেদে এর রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। উদাহরণ: 'সে যায়' (একবচন) এবং 'তারা যায়' (বহুবচন)। এখানে কর্তা একবচন থেকে বহুবচন হলেও ক্রিয়াপদ 'যায়' অপরিবর্তিত রয়েছে।
সম্বন্ধ পদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ক্রিয়াপদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন না করে বাক্যের অন্য একটি নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। যেমন: 'করিমের বই হারিয়ে গেছে' - এখানে 'করিমের' পদের সাথে 'বই' পদের সম্পর্ক আছে, কিন্তু ক্রিয়াপদ 'হারিয়ে গেছে'-এর সাথে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এটি সম্বন্ধ পদ। অন্যদিকে, কারকের সম্পর্ক থাকে সরাসরি ক্রিয়াপদের সাথে।
এখানে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' নামক বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। কেমন লোক? উত্তর: চেনা লোক। যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। তাই 'চেনা' একটি বিশেষণ। এটি ক্রিয়াপদ 'চেনা' থেকে উদ্ভূত হলেও বাক্যে বিশেষণের কার্য সম্পাদন করছে।
জব সলুশন