কোনটি সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য?
ক) গুরুগম্ভীর
খ) গুরুচণ্ডালী
গ) অবোধ্য
ঘ) দুর্বোধ্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য। এই রীতিতে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ব্যবহার বেশি এবং এর কাঠামো আনুষ্ঠানিক ও অপরিবর্তনীয়। এই কারণে সাধু ভাষার প্রকাশভঙ্গি 'গুরুগম্ভীর' প্রকৃতির হয়। 'গুরুচণ্ডালী' হলো সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণজনিত একটি দোষ।
Related Questions
ক) চলিত রীতি
খ) সাধু রীতি
গ) কথ্য রীতি
ঘ) লেখ্য রীতি
Note : সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও মার্জিত লেখ্য রূপ। এর পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট এবং এটি ব্যাকরণের নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করে। অন্যদিকে, চলিত রীতি বিবর্তনশীল এবং বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্য রীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যদিও এরও मानक ব্যাকরণ রয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে 'সাধু রীতি' সবচেয়ে বেশি ব্যাকরণ-অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
ক) 'ক' বর্গীয় ধ্বনি
খ) 'চ' বর্গীয় ধ্বনি
গ) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি
ঘ) 'ত' বর্গীয় ধ্বনি
Note : বাংলা ণ-ত্ব বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ট' বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) আগে যুক্ত 'ন' সবসময় মূর্ধন্য 'ণ'-এ রূপান্তরিত হয়। যেমন: কণ্টক, লুণ্ঠন, ভণ্ড, দণ্ড। তাই সঠিক উত্তর 'ট' বর্গীয় ধ্বনি।
ক) চোখে-চোখে
খ) থেকে-থেকে
গ) আকাশে-বাতাসে
ঘ) হাড়ে-হাড়ে
Note : যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত পদ গঠিত হয় দুটি ভিন্ন কিন্তু সমার্থক বা প্রায়-সমার্থক শব্দযোগে। 'আকাশে-বাতাসে' শব্দজোড়াটি একটি ব্যাপক বা বিস্তৃত ভাব (সর্বত্র) প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, যা যুগ্মরীতির একটি উদাহরণ। অন্য অপশনগুলো একই শব্দের পুনরাবৃত্তি (আম্রেড়িত)।
ক) শ
খ) হ
গ) য
ঘ) ল
Note : উচ্চারণরীতি অনুযায়ী, যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা দন্তমূলে স্পর্শ করে এবং বাতাস জিহ্বার দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ধ্বনি (Lateral consonant) বলে। বাংলা বর্ণমালায় 'ল' হলো একমাত্র পার্শ্বিক ধ্বনি।
ক) ৩টি
খ) ৪টি
গ) ৫টি
ঘ) ৬টি
Note : বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্বস্বর (short vowels) হলো সেই স্বরধ্বনিগুলো যা উচ্চারণে কম সময় লাগে। এগুলি হলো: অ, ই, উ, এবং ঋ। সুতরাং, বাংলা স্বরধ্বনিতে মোট ৪টি হ্রস্বস্বর রয়েছে। বাকিগুলো (আ, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ) দীর্ঘস্বর।
ক) পাল আমল
খ) গুপ্ত আমল
গ) সেন আমল
ঘ) মুঘল আমল
Note : ব্রাহ্মী লিপি হলো প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের একটি লিখন পদ্ধতি যা থেকে পরবর্তীকালের অনেক লিপির উদ্ভব হয়েছে। গুপ্ত আমলে (খ্রিস্টীয় ৪র্থ থেকে ৬ষ্ঠ শতক) ব্রাহ্মী লিপি একটি নির্দিষ্ট রূপ লাভ করে, যা 'গুপ্ত লিপি' নামে পরিচিত। এই গুপ্ত লিপিই হলো পূর্ববর্তী ব্রাহ্মী লিপির একটি পরিবর্তিত ও বিকশিত রূপ, যা থেকে পরবর্তীতে সিদ্ধমাতৃকা এবং বাংলা লিপির উদ্ভব হয়।
জব সলুশন