নিচের কোনটি তৎপুরুষ সমাস এর উদাহরণ?
ক) সুমুখী
খ) জীবনানন্দ
গ) দুর্ভিক্ষ
ঘ) ত্রিভুবন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়। 'জীবনানন্দ' এর ব্যাসবাক্য হলো 'জীবনের আনন্দ'। এখানে পূর্বপদ 'জীবন'-এর 'এর' (ষষ্ঠী) বিভক্তি লোপ পেয়েছে এবং পরপদ 'আনন্দ'-এর অর্থ প্রধান। তাই এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
Related Questions
ক) ইংরেজী
খ) ফরাসী
গ) তুর্কি
ঘ) ফার্সী
Note : 'পানসি' শব্দটি ফরাসি (French) ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এর অর্থ ছোট ছাদখোলা নৌকাবিশেষ। এটি বিদেশি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ।
ক) ৭টি
খ) ১০টি
গ) ৯টি
ঘ) ১১টি
Note : বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও মৌলিক স্বরধ্বনি বা শুদ্ধ স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। এগুলি হলো: অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও। 'অ্যা' (æ) ধ্বনির জন্য পৃথক বর্ণ না থাকলেও এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
ক) কালী ও কলম
খ) নবযুগ
গ) কল্লোল
ঘ) সবুজপত্র
Note : 'কল্লোল' পত্রিকাকে (১৯২৩) কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল লেখক গোষ্ঠী গড়ে ওঠে, যা 'কল্লোল গোষ্ঠী' নামে পরিচিত। এই গোষ্ঠীর লেখকরা রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে এসে বাস্তবতা, মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে লেখালেখি শুরু করেন।
ক) শাহ মুহম্মদ সগীর
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
গ) রামনিধি গুপ্ত
ঘ) সৈয়দ হামজা
Note : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ সাল পর্যন্ত সময়কে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'যুগসন্ধিক্ষণ' বলা হয়। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর পর এবং আধুনিক যুগের শুরুর আগ পর্যন্ত এই সময়কাল ধরা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে এই যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়, কারণ তাঁর রচনার মধ্যে পুরনো ও নতুন ধারার মিশ্রণ দেখা যায়।
ক) নদের চাঁদ
খ) আলাদ
গ) মদিনা
ঘ) মলুয়া
Note : 'মৈমনসিংহ গীতিকা' হলো ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ও সম্পাদিত পূর্ববঙ্গ অঞ্চলের লোকগাথার একটি সংকলন। 'মলুয়া' এই গীতিকার একটি অন্যতম পালা বা আখ্যান। অন্যান্য বিখ্যাত পালার মধ্যে রয়েছে মহুয়া, চন্দ্রাবতী, দেওয়ানা মদিনা ইত্যাদি।
ক) 6017
খ) 4100
গ) 5575
ঘ) 6900
Note : সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে পড়েছে প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার এবং বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। সুতরাং, বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।
জব সলুশন