ব্যাঙের সর্দি' --- অর্থ কি?
ক) রোগ বিশেষ
খ) সম্ভাব্য ঘটনা
গ) অসম্ভব ঘটনা
ঘ) প্রতারণা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'ব্যাঙের সর্দি' একটি বাগধারা, যার অর্থ অসম্ভব ঘটনা। ব্যাঙ সাধারণত পানিতেই থাকে, তাই তার সর্দি লাগা একটি অবাস্তব বা অসম্ভব কল্পনা। এই বাগধারাটি এমন কোনো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা ঘটা একেবারেই সম্ভব নয়।
Related Questions
ক) অনতিক্রম্য
খ) অলঙ্ঘ্য
গ) দুরতিক্রম্য
ঘ) দুর্গম
Note : 'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না'—এই বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ হলো 'দুরতিক্রম্য'। 'দুঃ' উপসর্গটি এখানে 'কষ্টে' বা 'সহজে নয়' অর্থ প্রকাশ করছে। 'দুর্গম' অর্থ যেখানে সহজে গমন করা যায় না।
ক) সিংহাসন
খ) ভাই-বোন
গ) কানাকানি
ঘ) গাছপাকা
Note : যে সমাসে প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর' ইত্যাদি অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। 'ভাই-বোন'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'ভাই ও বোন'। এখানে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান।
ক) অবস্থাবাচক শব্দ
খ) বাক্যালঙ্কার শব্দ
গ) ধবন্যাত্নক শব্দ
ঘ) দ্বিরুক্ত শব্দ
Note : 'টাপুর টুপুর' শব্দটি একটি দ্বিরুক্ত শব্দ। এটি একটি ধন্যাত্মক শব্দের দ্বিরুক্ত রূপ। কোনো শব্দ বা পদ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। এখানে বৃষ্টির পতনের শব্দকে অনুকরণ করে 'টাপুর' শব্দটি দুইবার ব্যবহার করা হয়েছে।
ক) অহংকারী
খ) স্পষ্টভাষী
গ) মিথ্যাবাদী
ঘ) পক্ষপাতদুষ্ট
Note : 'ঠোঁট-কাটা' একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো স্পষ্টভাষী বা বেহায়া। যে ব্যক্তি অপ্রিয় সত্য কথা বলতে দ্বিধা করে না, তাকে ঠোঁট-কাটা বলা হয়। এটি কোনো রকম ভণিতা না করে সরাসরি কথা বলার প্রবণতাকে বোঝায়।
ক) শুশ্রুষা
খ) সুশ্রুষা
গ) শুশ্রূষা
ঘ) সুশ্রুসা
Note : সঠিক বানানটি হলো 'শুশ্রূষা', যার অর্থ সেবা বা পরিচর্যা। এখানে প্রথম 'শ'-এর সাথে উ-কার (ু) এবং দ্বিতীয় 'শ'-এর সাথে ঊ-কার (ূ) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বহুল প্রচলিত শুদ্ধ বানান।
ক) কবিতার চরণ
খ) যে কোনো শব্দ
গ) প্রত্যয়ান্ত শব্দ বা ধাতু
ঘ) বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু
Note : ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে 'পদ' বলা হয়। শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত না হলে তা বাক্যে ব্যবহারযোগ্য হয় না এবং পদ হিসেবে গণ্য হয় না। যেমন: 'করিম' একটি শব্দ, কিন্তু 'করিমকে' একটি পদ।
জব সলুশন