মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন শতককে নির্দেশ করে?
ক) ৭ম-৮ম শতক
খ) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
গ) নবম-দশম শতক
ঘ) অষ্টম-নবম শতক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল বংশের উত্থানের আগ পর্যন্ত প্রায় একশ বছর (আনুমানিক ৬৫০-৭৫০ খ্রিস্টাব্দ) বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় শাসক ছিল না। এই অরাজক পরিস্থিতিকে 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয়, যা ৭ম-৮ম শতককে নির্দেশ করে।
Related Questions
ক) অশোক
খ) ন্যায়পাল
গ) শশাঙ্ক
ঘ) রামপাল
Note : অবিভক্ত প্রাচীন বাংলায় প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। তিনি সপ্তম শতকের শুরুতে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং 'গৌড়েশ্বর' উপাধি ধারণ করেন। তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ (বর্তমান মুর্শিদাবাদ)।
ক) সম্রাট আকবর
খ) শাহজাদা আযম
গ) ঈশা খান
ঘ) সুবেদার ইসলাম খান
Note : বাংলার বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীর ঈশা খান মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সোনারগাঁওয়ে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। তিনি এখান থেকেই বাংলার একটি বড় অংশ শাসন করতেন।
ক) চতুর্দশ
খ) পঞ্চদশ
গ) সপ্তদশ
ঘ) অষ্টাদশ
Note : বিখ্যাত মরোক্কান পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে (১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে) সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনামলে বাংলায় আসেন। তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনী 'কিতাবুল রেহালা'-তে বাংলার বর্ণনা দিয়েছেন।
ক) সিলেট
খ) রাজশাহী
গ) খুলনা
ঘ) বরিশাল
Note : বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি উচ্চভূমি। এটি মূলত রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এর মাটি লাল ও কাঁকরময়।
ক) গৌড়
খ) ময়নামতি
গ) মহাস্থানগড়
ঘ) সোনারগাঁও
Note : মৌর্য ও গুপ্ত যুগে বাংলার প্রাদেশিক প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে মৌর্য শাসনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ক) অতীশ দিপঙ্কর
খ) শিলভদ্র
গ) মা হুয়ান
ঘ) মেগাস্থিনিস
Note : চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ যখন বাংলায় আসেন, তখন তিনি নালন্দা মহাবিহারের আচার্য শিলভদ্রের কাছে জ্ঞানার্জন করেন। শিলভদ্র ছিলেন তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ পণ্ডিত এবং তিনি বাঙালি ছিলেন।
জব সলুশন