লাঠালাঠি’ শব্দটির সমাস –
ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) কর্মধারায়
ঘ) তৎপুরুষ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে সমাসে একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং তা দিয়ে পারস্পরিক কোনো ক্রিয়া (যেমন- মারামারি, কোলাকুলি) বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। 'লাঠালাঠি' মানে লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, যা একটি পারস্পরিক ক্রিয়া। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।
Related Questions
ক) স্বরবৃত্ত
খ) পয়ার
গ) মাত্রাবৃত্ত
ঘ) অক্ষরবৃত্ত
Note : স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি পর্বে ৪টি করে মাত্রা থাকে এবং এটি দ্রুত লয়ের হয়। একে দলবৃত্ত বা শ্বাসাঘাতপ্রধান ছন্দও বলা হয়।
ক) ১৮৪১ সালে
খ) ১৮৪২ সালে
গ) ১৮৫০ সালে
ঘ) ১৮৪৩ সালে
Note : দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং জ্ঞানচর্চার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালে 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' প্রথম প্রকাশিত হয়।
ক) ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
খ) ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ঘ) ডক্টর সুকুমার সেন
Note : মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম এই প্রাচীন নিদর্শন জনসমক্ষে আনেন।
ক) শেষের কবিতা
খ) দোলন-চাঁপা
গ) সোনার তরী
ঘ) মানসী
Note : 'শেষের কবিতা', 'সোনার তরী' এবং 'মানসী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য ও উপন্যাস। কিন্তু 'দোলন-চাঁপা' কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা।
ক) সমীচীন
খ) সমিচীন
গ) সমীচিন
ঘ) সমিচিন
Note : সমীচীন' শব্দের অর্থ হলো উচিত, উপযুক্ত বা যথার্থ। এর সঠিক বানানে 'ম' এবং 'চ' উভয় ক্ষেত্রেই ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয়।
ক) √দুল্ + অনা
খ) দোল্ + না
গ) দোল্ + অনা
ঘ) দোলনা + আ
Note : দোলনা' শব্দটি একটি ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য। এর মূল ক্রিয়া বা ধাতু হলো 'দুল্' (দোলা)। এর সাথে 'অনা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দোলনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। সুতরাং, সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো √দুল্ + অনা।
জব সলুশন