বাংলা লিপির উৎস কি?
ক) সংস্কৃত লিপি
খ) চীনা লিপি
গ) আরবি লিপি
ঘ) ব্রাহ্মী লিপি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ভারতীয় 'ব্রাহ্মী লিপি' থেকে। ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল লিপি থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির জন্ম হয়।
Related Questions
ক) গোলাপ
খ) শীতল
গ) নেয়ে
ঘ) গৌরব
Note : যে শব্দকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। 'গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ। অন্যদিকে 'শীতল' (শীত + ল), 'নেয়ে' (নাওয়া > না + ইয়া > নেয়ে) এবং 'গৌরব' (গুরু + ষ্ণ) হলো সাধিত শব্দ।
ক) চ ছ
খ) ড ঢ
গ) ব ভ
ঘ) দ ধ
Note : বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ ধ্বনি (যাদের উচ্চারণে স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না)। চ-বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি হলো 'চ' এবং 'ছ', যা অঘোষ। অন্যদিকে, বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনি হলো ঘোষ।
ক) আরামপ্রিয়
খ) উদাসীন
গ) নিতান্ত অলস
ঘ) পরমুখাপেক্ষী
Note : গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যিনি অত্যন্ত অলস এবং কোনো কাজের প্রতি আগ্রহ দেখান না। তাই 'নিতান্ত অলস' হলো এর সঠিক অর্থ।
ক) আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
খ) বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে
গ) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ঘ) প্রকৃতির রুপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
Note : এর মূল তাৎপর্য হলো, প্রত্যেক বস্তু বা প্রাণী তার নিজস্ব স্বাভাবিক ও উপযুক্ত পরিবেশেই সবচেয়ে সুন্দর ও সাবলীল থাকে। এই ধারণাটি শুধু বনের পশু বা শিশুর জন্য নয়, বরং এটি একটি সার্বজনীন সত্য।
ক) ধূসর পাণ্ডুলিপি
খ) নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
গ) একক সন্ধ্যায় বসন্ত
ঘ) অন্ধকারে একা
Note : ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬) কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি রচনা। অন্য বিকল্পগুলো তাঁর রচনা নয়।
ক) ধন অপেক্ষা মান বড়
খ) তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না
গ) ঢং ঢং ঘন্টা বাজে
ঘ) লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে
Note : প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের অব্যয় পদের প্রকারভেদ সম্পর্কিত। 'সমুচ্চয়ী অব্যয়' দুটি বাক্য বা পদকে সংযুক্ত করে। 'লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে'—এই বাক্যে 'নতুবা' শব্দটি দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করেছে, যা একটি সমুচ্চয়ী অব্যয়। অন্য বিকল্পে, 'অপেক্ষা' হলো পদান্বয়ী অব্যয়, 'দিয়ে' অনুসর্গ এবং 'ঢং ঢং' অনুকার অব্যয়।
জব সলুশন