তালব্য বর্ণ কোনগুলো?
ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ তালুর কাছাকাছি আসে, সেগুলোকে তালব্য বর্ণ বলে। ই, ঈ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ হলো তালব্য বর্ণ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'ই, ঈ' সঠিক।
Related Questions
ক) 5
খ) 7
গ) 10
ঘ) 11
Note : বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও। লিখিত রূপে 'অ্যা' ধ্বনির জন্য আলাদা কোনো বর্ণ নেই।
ক) ফারসি
খ) পর্তুগীজ
গ) জাপানী
ঘ) গুজরাটী
Note : 'হরতাল' শব্দটি গুজরাটী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে এবং পরে বাংলা ভাষায় স্থান করে নেয়।
ক) জসীম উদ্দীন
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) আবুল ফজল
ঘ) জহির রায়হান
Note : 'শবনম' একটি বিখ্যাত রম্যরচনা বা ভ্রমণকাহিনি। এর রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে 'দেশে বিদেশে', 'পঞ্চতন্ত্র' উল্লেখযোগ্য।
ক) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী
খ) কর্তৃকারকে প্রথমা
গ) অধিকরণ কারকে সপ্তমী
ঘ) অপাদান কারকে সপ্তমী
Note :
প্রদত্ত বাক্যে 'তিলে তৈল হয়' দ্বারা অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি বুঝানো হয়েছে। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরাম্ভ, দূরীভূত, ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। এছাড়া ক্রিয়াকে 'কোথা হতে' বা 'কিসের হাতে' দিয়ে প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায় । কোথা হতে তৈল হয় প্রশ্ন করলে তিল হতে উত্তর পাওয়া যায়।
ক) তিতীক্ষা
খ) তীতিক্ষা
গ) তিতিক্ষা
ঘ) তীতীক্ষা
Note : শুদ্ধ বানানটি হলো 'তিতিক্ষা'। এর অর্থ ধৈর্য, সহনশীলতা বা ক্ষমা। এখানে প্রথম 'ত'-এ ই-কার (ি) এবং দ্বিতীয় 'ত'-এ ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয়।
ক) অংশ
খ) জ্যোতি
গ) ভাতি
ঘ) অনল
Note : 'অনল' শব্দের অর্থ আগুন। আগুনের অন্য সমার্থক শব্দগুলো হলো: অগ্নি, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর ইত্যাদি। 'জ্যোতি' ও 'ভাতি' অর্থ আলো বা দীপ্তি এবং 'অংশ' মানে ভাগ।
জব সলুশন