'আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি' বাক্যে দ্বিরুক্তি শব্দ দ্বারা কি অর্থ বুঝানো হয়েছে?
ক) আধিক্যতা
খ) সামান্যতা
গ) ধারাবাহিকতা
ঘ) অসমাপ্ততা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'জ্বর জ্বর' শব্দটির দ্বিরুক্তি দ্বারা 'ঠিক জ্বর নয়, তবে জ্বরের মতো ভাব' বা সামান্য অনুভূতি বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে 'সামান্যতা' বা 'অল্পতা' অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
Related Questions
ক) 22
খ) 24
গ) 20
ঘ) 32
Note : যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম উপসর্গের সংখ্যা মোট ২০টি। যেমন: প্র, পরা, অপ, সম ইত্যাদি।
ক) ভাব
খ) ভাষা
গ) ধ্বনি
ঘ) বাক্য
Note : ব্যাকরণ হলো ভাষার নিয়ম-কানুন সংক্রান্ত শাস্ত্র। অর্থাৎ, ব্যাকরণ ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার গঠন, প্রকৃতি ও প্রয়োগরীতি আলোচনা করে। তাই ভাষার উপর ভিত্তি করেই ব্যাকরণ গড়ে ওঠে।
ক) খুব চৌকস
খ) নিতান্ত অলস
গ) চাটুকর
ঘ) ভোজন রসিক
Note : 'গোফ খেজুরে' একটি প্রচলিত বাংলা বাগধারা, যা দ্বারা অত্যন্ত অলস বা কর্মবিমুখ ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। যে ব্যক্তি কোনো কাজ না করে শুধু বসে বসে সময় কাটায়।
ক) নয়-ছয়
খ) খাস-জমি
গ) কনকচাঁপা
ঘ) ত্রিফলা
Note : যে সমাসে প্রত্যেকটি পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর' ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। 'নয়-ছয়' এর ব্যাসবাক্য হলো 'নয় ও ছয়', তাই এটি একটি দ্বন্দ্ব সমাস।
ক) দেখে
খ) দেখিলো
গ) দেখিয়াছি
ঘ) দেখাইয়া
Note : 'দেখিয়া' একটি সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ। এর চলিত রূপ হলো 'দেখে'। বাংলা ভাষায় সাধু থেকে চলিত রূপে ক্রিয়াপদের রূপান্তর একটি সাধারণ নিয়ম।
ক) কর্মে
খ) করণে
গ) অপাদানে
ঘ) অধিকরণে
Note : যা থেকে কোনো কিছু গৃহীত, বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে ট্রেনটি 'ঢাকা' থেকে ছেড়ে যাচ্ছে (বিচ্যুত হচ্ছে), তাই এটি অপাদানে শূন্য বিভক্তি।
জব সলুশন