জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান কি?
ক) RNA
খ) DNA
গ) NDA
ঘ) AND
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
DNA (Deoxyribonucleic acid) হলো জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক। এটি জীবের সমস্ত জেনেটিক তথ্য ধারণ করে এবং এর রাসায়নিক গঠনই জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
Related Questions
ক) ব্রোমিন
খ) পারদ
গ) আয়োডিন
ঘ) জেনন
Note : সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে ব্রোমিন (Br) একমাত্র অধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে। পারদ (Hg) একটি ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
ক) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
খ) মেমোরী চিপ হিসেবে
গ) চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ঘ) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
Note : অডিও ক্যাসেটের ফিতায় আয়রন অক্সাইডের একটি চৌম্বকীয় আবরণ থাকে। শব্দ সংকেতকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করে একটি রেকর্ডিং হেডের মাধ্যমে ফিতার উপর পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা হয়, যা শব্দকে ধারণ করে।
ক) থাইরয়েড গ্রন্থি
খ) পিটুইটারী গ্রন্থি
গ) অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি
ঘ) অগ্নাশয়
Note : উত্তেজনা, ভয় বা মানসিক চাপের সময় অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে অ্যাড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হয় যা হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ উচ্চ রক্তচাপের একটি কারণ হতে পারে।
ক) ১১টা ২৪ মিনিট
খ) ১১টা ১২ মিনিট
গ) ১০টা ৩৬ মিনিট
ঘ) ১০টা ৪৮ মিনিট
Note : পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ ডিগ্রী ঘোরে, অর্থাৎ ১ ডিগ্রী ঘুরতে সময় লাগে ৩৬০/২৪ = ১৫ ডিগ্রী/ঘণ্টা, বা ৪ মিনিট/ডিগ্রী। পশ্চিমে গেলে সময় কমে। ৬ ডিগ্রী পশ্চিমের জন্য সময় কমবে ৬ × ৪ = ২৪ মিনিট। সুতরাং, সময় হবে ১১টা - ২৪ মিনিট = ১০টা ৩৬ মিনিট।
ক) ছায়াবৃত্ত
খ) গুরুবৃত্ত
গ) ঊষা
ঘ) গোধূলি
Note : পৃথিবীর যে অংশে সূর্যের আলো পড়ে তা আলোকিত এবং বাকি অংশ অন্ধকার থাকে। এই আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত (Circle of Illumination) বলে।
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) বায়বীয়
ঘ) শূন্য মাধ্যম
Note : শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন। মাধ্যমের কণাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, শব্দের গতি তত বেশি হয়। কঠিন পদার্থের কণা সবচেয়ে কাছাকাছি থাকায় এতে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি, তারপর তরল এবং সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে। শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না।
জব সলুশন