বাংলা গদ্য সাহিত্যের উৎপত্তিকাল-
ক) ষোড়শ শতাব্দী
খ) সপ্তদশ শতাব্দী
গ) অষ্টাদশ শতাব্দী
ঘ) উনবিংশ শতাব্দী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যদিও অষ্টাদশ শতাব্দীতে গদ্যের কিছু নমুনা পাওয়া যায়, তবে বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রকৃত বিকাশ, প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এবং ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে কেন্দ্র করে। তাই ঊনবিংশ শতাব্দীকেই এর উৎপত্তিকাল ধরা হয়।
Related Questions
ক) আরবি
খ) বাংলা
গ) ইংরেজি
ঘ) সংস্কৃত
Note : বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ ব্যবহৃত হয়: বাংলা, সংস্কৃত (তৎসম) এবং বিদেশি। 'প্রতি' একটি সংস্কৃত উপসর্গ। যেমন: প্রতিদিন, প্রতিবাদ, প্রতিচ্ছবি।
ক) পঞ্চনদ
খ) দেশান্তর
গ) বেয়াদব
ঘ) ভালমন্দ
Note : যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। 'দেশান্তর' (অন্য দেশ), 'গ্রামান্তর' (অন্য গ্রাম), 'কালসাপ' (কাল বর্ণের সাপ) ইত্যাদি নিত্য সমাসের উদাহরণ।
ক) অভিরুচি
খ) নিস্পৃহ
গ) মনোযোগ
ঘ) বিশেষভাবে
Note : অভিনিবেশ' শব্দটি তৎসম এবং এর অর্থ হলো কোনো বিষয়ে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়া বা নিমগ্ন হওয়া। সুতরাং, সঠিক উত্তর 'মনোযোগ'। 'অভিরুচি' অর্থ পছন্দ, 'নিস্পৃহ' অর্থ উদাসীন।
ক) কারক
খ) বিভক্তি
গ) যতি
ঘ) প্রকৃতি
Note : ধাতু (ক্রিয়ার মূল) বা শব্দের (নাম শব্দ) শেষে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি (প্রত্যয়) যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেই মূল ধাতু বা শব্দটিকে 'প্রকৃতি' বলা হয়। প্রকৃতি দুই প্রকার: ক্রিয়া প্রকৃতি (ধাতু) ও নাম প্রকৃতি (প্রাতিপদিক)।
ক) অ, আ
খ) ই, ঈ
গ) উ, উ
ঘ) এ, ঐ
Note : ষত্ব-বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, অ এবং আ ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণের (যেমন: ই, উ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ) পরে সাধারণত মূর্ধন্য 'ষ' বসে। সুতরাং, 'অ' এবং 'আ' এর পরে মূর্ধন্য 'ষ' এর প্রয়োগ হয় না। যেমন: পুরস্কার (পুরঃ+কার), নমস্কার (নমঃ+কার)।
ক) সমার্থক
খ) মিলনার্থক
গ) বিপরীতার্থক
ঘ) ভিন্নার্থক
Note : 'ডাল-ভাত' শব্দ দুটি ভিন্ন হলেও এদের মধ্যে একটি প্রায়োগিক মিল বা অনুষঙ্গ রয়েছে। এরা প্রায়ই একত্রে ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের সম্পর্ককে 'মিলনার্থক' বা সহচর শব্দযোগ বলা হয়। প্রদত্ত উত্তরে (D) ভুল রয়েছে; ভিন্নার্থক হলেও এদের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ মিল থাকায় এটি মিলনার্থক।
জব সলুশন