'পুতুলনাচের ইতিকথা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ) সমরেশ মজুমদার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পুতুলনাচের ইতিকথা' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত এবং কালজয়ী উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপন্যাসের একটি।
Related Questions
ক) রাজা নাটক
খ) নটিরপূজা নাটক
গ) রক্তকরবী নাটক
ঘ) সবাই রাজা
Note : 'আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে'— এই বিখ্যাত গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজা' নাটক থেকে সংকলিত হয়েছে। গানটি নাটকের মূল ভাবের প্রতীকী রূপ।
ক) অসম্ভব বস্তু
খ) তীব্র জ্বালা
গ) অসাবধান
ঘ) সামান্য
Note : 'কুলকাঠের আগুন' বাগধারাটি দিয়ে এমন মানসিক কষ্ট বা জ্বালাকে বোঝানো হয় যা দীর্ঘস্থায়ী এবং তীব্র, যা সহজে প্রকাশ করা যায় না। সুতরাং, এর অর্থ 'তীব্র জ্বালা'।
ক) কলাবতী
খ) মরাবতী
গ) নরক
ঘ) মায়াবতী
Note : অমরাবতী' হলো পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত স্বর্গের রাজধানী বা দেবালয়। সুতরাং, এর যৌক্তিক বিপরীত শব্দ হলো 'নরক'।
ক) স্থান
খ) কেনা
গ) বাঁধা
ঘ) ঘষা
Note : যে সকল ধাতু সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদের সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বলে। 'স্থা' একটি সংস্কৃত ধাতু (অর্থ: থাকা), যা থেকে 'স্থান' শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'কেনা', 'বাঁধা', 'ঘষা' ইত্যাদি বাংলা ধাতু থেকে গঠিত শব্দ।
ক) সুজন
খ) সাজিরা
গ) সরাজ
ঘ) সুখবর
Note : এখানে 'সা' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 'সাজিরা' শব্দে 'সা' উপসর্গটি উৎকৃষ্ট (ভালো জাতের জিরা) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 'সুজন'-এ 'সু' উপসর্গ উত্তম অর্থে এবং 'সুখবর'-এ ভালো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
ক) কাড়াকাড়ি
খ) প্রণাম
গ) বিদ্যাহীন
ঘ) উপগ্রহ
Note : পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। 'বিদ্যাহীন' এর ব্যাসবাক্য হলো 'বিদ্যা দ্বারা হীন'। এখানে তৃতীয়া বিভক্তি 'দ্বারা' লোপ পেয়েছে। তাই এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
জব সলুশন