'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক) কারা রচনা করেন?
ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
গ) মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
ঘ) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ। এর প্রাচীন যুগ রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আধুনিক যুগ রচনা করেন মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান।
Related Questions
ক) অلک, কুন্তল, চিকুর
খ) অর্ণব, পাবক, বহ্নি
গ) ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য
ঘ) ধরিত্রী, মহী, মেদিনী
Note : ব্যোম', 'অন্তরীক্ষ', 'শূন্য', 'গগন', 'নভ' ইত্যাদি শব্দ 'আকাশ'-এর সমার্থক। 'অলক, কুন্তল' চুলের সমার্থক; 'অর্ণব' সমুদ্রের এবং 'পাবক, বহ্নি' আগুনের সমার্থক; 'ধরিত্রী, মহী' পৃথিবীর সমার্থক।
ক) উৎপ্রেক্ষা
খ) উপরূপক
গ) উপমা
ঘ) আখ্যানরূপক
Note : দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে কোনো সাধারণ ধর্ম বা গুণের ভিত্তিতে সাদৃশ্য কল্পনা করা হলে তাকে উপমা অলঙ্কার বলে। যেমন: 'ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ'। এখানে কেশের সাথে ভ্রমরের রঙের সাদৃশ্য দেখানো হয়েছে।
ক) খুব
খ) বেশি ওজনে
গ) ভারহীন
ঘ) বেশি
Note : এই বাক্যে 'ভারি' শব্দটি পরিমাণ বা ওজন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। এটি 'মনোমুগ্ধকর' বিশেষণটির মাত্রা বা তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং, এখানে 'ভারি' শব্দের অর্থ 'খুব' বা 'অত্যন্ত'।
ক) কর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) ভাববাচ্য
ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
Note : যে বাক্যে কর্মপদটি কর্তার মতো আচরণ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে। এখানে 'চাঁদ' হলো কর্ম, কিন্তু সে নিজেই কর্তার ভূমিকা পালন করছে (কে দেখা যাচ্ছে? - চাঁদ)। অর্থাৎ, কর্তা এখানে অনুপস্থিত এবং কর্মই কর্তার কাজ করছে। তাই এটি কর্মকর্তৃবাচ্য।
ক) আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
খ) আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
গ) যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
ঘ) কোনটিই নয়
Note : একটি সার্থক বাক্যের তিনটি অপরিহার্য গুণ থাকে। అవి: ১. আকাঙ্ক্ষা (বাক্যের একটি পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা), ২. আসত্তি (পদের সঠিকลำดับ) এবং ৩. যোগ্যতা (ভাবগত ও বাস্তবসম্মত মিল)।
ক) বিস্ময়সূচক, প্রশ্নবোধক
খ) কমা, বিস্ময়সূচক
গ) বিস্ময়সূচক, দাঁড়ি
ঘ) বিস্ময়সূচক, বিস্ময়সূচক
Note : হায়' একটি আবেগসূচক অব্যয়, তাই এর পরে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসবে। 'এ আমার কী হল' বাক্যটি দ্বারা একটি আকস্মিক ও দুঃখজনক অবস্থার বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে, এটি প্রশ্ন নয়, বরং একটি আক্ষেপমূলক বিবৃতি। তাই শেষে দাঁড়ি (।) বসবে। বাক্যটি হবে: হায়! এ আমার কী হল।
জব সলুশন