দেহকোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন-
ক) কার্বোহাইড্রেট
খ) প্রোটিন
গ) স্নেহদ্রব্য
ঘ) কোনোটিই নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রোটিন বা আমিষকে দেহ গঠনকারী খাদ্য বলা হয়। এটি দেহের বৃদ্ধি, কোষের ক্ষয়পূরণ এবং নতুন কোষ গঠনের জন্য অপরিহার্য। তাই দেহকোষের পুনরুজ্জীবন বা মেরামতের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন।
Related Questions
ক) 22
খ) 23
গ) 24
ঘ) 25
Note : মানুষের দেহকোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোজোম (দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী) এবং ১ জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোজোম (লিঙ্গ নির্ধারণকারী)।
ক) রর্বাট হুক
খ) রবার্ট ব্রাউন
গ) রর্বাট চার্লস
ঘ) রর্বাট সেইডন
Note : ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক (Robert Hooke) নিজের তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে কর্কের পাতলা অংশ পরীক্ষা করার সময় মৌচাকের মতো ছোট ছোট কুঠুরি দেখতে পান এবং এগুলোর নাম দেন 'সেল' (Cell) বা কোষ।
ক) প্লাসটিড
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
গ) নিউক্লিয়াস
ঘ) ক্রোমাটিন বস্তু
Note : ব্যাকটেরিয়া হলো আদিকোষী জীব, যার কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া বা প্লাস্টিড থাকে না। এর বংশগতীয় উপাদান বা ক্রোমাটিন বস্তুগুলো (DNA) সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় ভাসমান থাকে, যাকে নিউক্লিওয়েড বলে।
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
খ) নিউক্লিয়াস
গ) ক্রোমোজম
ঘ) লিকোপ্লাস্ট
Note : মাইটোকন্ড্রিয়াকে (Mitochondria) কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা 'শক্তিঘর' বলা হয়। কারণ এখানে কোষীয় শ্বসনের মাধ্যমে খাদ্য থেকে শক্তি (ATP) উৎপন্ন হয়, যা কোষের সকল জৈবনিক কাজ পরিচালনা করে। তাই একে কোষের প্রাণশক্তি বলা হয়।
ক) সিস্টোল
খ) ডায়াস্টোল
গ) উভয়ই সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে বলা হয় সিস্টোল (Systole) এবং প্রসারণকে বলা হয় ডায়াস্টোল (Diastole)। এই দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হৃৎপিণ্ড রক্ত পাম্প করে।
ক) সিনসিটিয়াম
খ) লিউকোপোয়েসিস
গ) লিউকোমিয়া
ঘ) লিউকোপেনিয়া
Note : রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার (Leukocyte) সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যাওয়াকে লিউকোমিয়া (Leukemia) বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। অন্যদিকে, লিউকোপেনিয়া হলো শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া।
জব সলুশন