বিপরীত শব্দ গঠনে কোন উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হয়?
ক) উপ, বর
খ) অপ, অনা
গ) নিম, ভর
ঘ) দর, উৎ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় বিপরীত অর্থ বোঝাতে অনেক উপসর্গ ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'মান'-এর বিপরীত 'অপমান' (অপ উপসর্গ) এবং 'আদর'-এর বিপরীত 'অনাদর' (অনা উপসর্গ)।
Related Questions
ক) অঙ্কবাচক
খ) তারিখবাচক
গ) পরিমাণবাচক
ঘ) পূরণবাচক
Note : যেসব শব্দ সংখ্যা বা গণনার ধারণা প্রকাশ করে, তাদের সংখ্যাবাচক শব্দ বলে। 'সপ্তাহ' (সাত দিনের সমষ্টি) একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সমষ্টি বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি পরিমাণবাচক বা গণনাবাচক শব্দ।
ক) অনাবাদী
খ) অপদস্ত
গ) অব্যার্থ
ঘ) অভাগিনি
Note : 'অনাবাদী' বানানটি শুদ্ধ, যার অর্থ যে জমিতে চাষাবাদ হয় না। অন্য বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো: অপদস্থ, অব্যর্থ, অভাগিনী।
ক) নম্র
খ) মৌন
গ) সদয়
ঘ) সজীব
Note : 'ধৃষ্ট' শব্দের অর্থ উদ্ধত, বেয়াদব বা নির্লজ্জ। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'নম্র' বা 'ভদ্র'।
ক) কর্মে শূন্য
খ) কর্তায় শূন্য
গ) অধিকরণে শূন্য
ঘ) অপাদানে শূন্য
Note : ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) ও স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। 'কখন বৃষ্টি হয়েছে?'—এই প্রশ্নের উত্তর হলো 'সারারাত'। এখানে সময়কে নির্দেশ করায় এটি কালাধিকরণে শূন্য বিভক্তি।
ক) চন্দ্ৰ
খ) ডাব
গ) হরতাল
ঘ) চিনি
Note : যেসব শব্দের মূল বাংলা ভাষার নিজস্ব উৎস থেকে এসেছে, তাদের দেশি শব্দ বলে। 'ডাব' একটি খাঁটি দেশি শব্দ। 'চন্দ্র' তৎসম, 'হরতাল' গুজরাটি এবং 'চিনি' চীনা শব্দ।
ক) চূর্ণ ও নেশাগ্রস্ত
খ) চুরি ও স্বাভাবিক
গ) দীর্ঘ ও ছিন্নবস্ত্র
ঘ) ছিন্নবস্ত্র ও দীর্ঘ
Note : 'চির' শব্দের অর্থ দীর্ঘকাল বা অনন্ত। 'চীর' শব্দের অর্থ গাছের ছাল বা ছিন্ন বস্ত্র। সুতরাং, শব্দজোড়ের অর্থ যথাক্রমে 'দীর্ঘ' ও 'ছিন্নবস্ত্র'।
জব সলুশন