তালব্য বর্ণ কোনগুলো?
ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে সব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ তালুর কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য বর্ণ বলে। বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যে 'ই' এবং 'ঈ' হলো তালব্য বর্ণ।
Related Questions
ক) অসমিয়া
খ) উড়িয়া
গ) হিন্দী
ঘ) ব্রজবুলি
Note : ভাষাবিদদের মতে, মাগধী প্রাকৃত থেকে সৃষ্ট পূর্বী অপভ্রংশ থেকে কালক্রমে তিনটি প্রধান ভাষা শাখার জন্ম হয়: বাংলা, অসমিয়া এবং উড়িয়া। এর মধ্যে বাংলা ও অসমিয়া ভাষা বঙ্গকামরূপি শাখা থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
ক) প্রচণ্ড উত্তেজনা
খ) রাশভারী
গ) প্রবল আনন্দিত
ঘ) অপ্রত্যাশিত বিপদ
Note : সপ্তমে চড়া' বাগধারাটি দ্বারা সাধারণত প্রচণ্ড রাগ, ক্ষোভ বা উত্তেজনা প্রকাশ করা বোঝায়। যখন কারো গলার স্বর উত্তেজনায় বা রাগে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
ক) চপলা
খ) মেঘ
গ) গগন
ঘ) ছায়া
Note : বিজুরি' শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'চপলা' শব্দের অর্থও বিদ্যুৎ বা বিজলি। অন্যান্য অর্থ: মেঘ (জলদ), গগন (আকাশ), ছায়া (প্রচ্ছায়া)।
ক) মমতাজউদ্দীন আহমদ
খ) আব্দুল্লাহ আল মামুন
গ) রামেন্দু মজুমদার
ঘ) সেলিম আল দীন
Note : বাংলাদেশের নাট্য জগতে 'গ্রাম থিয়েটার' একটি যুগান্তকারী আন্দোলন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামের মানুষের কাছে নাটককে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের জীবনের গল্প নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরা। এই আন্দোলনের প্রবর্তক ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যকার সেলিম আল দীন।
ক) চোখে চোখে
খ) ভয়টয়
গ) টুপটাপ
ঘ) কাছাকাছি
Note : কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যে সব শব্দ তৈরি হয়, তাদের ধন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ বলে। 'টুপটাপ' শব্দটি বৃষ্টি পড়ার শব্দকে অনুকরণ করে তৈরি, তাই এটি একটি ধন্যাত্মক শব্দের উদাহরণ।
ক) পদাশ্রিত নির্দেশক
খ) প্রকৃতি
গ) বিভক্তি
ঘ) উপসর্গ
Note : যে সকল অব্যয় বা প্রত্যয় পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বা আর্টিকেল বলে। 'টি', 'টা', 'খানা', 'খানি' ইত্যাদি নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক।
জব সলুশন