ক্ষমার যোগ্য’- এর বাক্য সংকোচন-
ক) ক্ষমার্হ
খ) ক্ষমাপ্রদ
গ) ক্ষমার্থ্য
ঘ) ক্ষমাহ্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, 'ক্ষমার যোগ্য' এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো 'ক্ষমার্হ'। এখানে 'অrh' প্রত্যয়টি 'যোগ্য' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
Related Questions
ক) চ
খ) ঠ
গ) ভ
ঘ) ছ
Note : বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি হলো মহাপ্রাণ। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি হলো অঘোষ। এই দুই শর্ত পূরণ করে 'ট' বর্গের দ্বিতীয় ধ্বনি 'ঠ'। এটি একই সাথে অঘোষ ও মহাপ্রাণ।
ক) বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও।
খ) বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘায়ু হোক।
গ) বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’।
ঘ) বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
Note : পরোক্ষ উক্তিতে 'কামনা করলেন' থাকলে তা প্রত্যক্ষ উক্তিতে আশীর্বাদসূচক অনুজ্ঞা বাক্যে রূপান্তরিত হয়। এখানে উদ্ধৃতি চিহ্ন (‘ ’) ব্যবহার করে মূল বক্তব্যটি ('তুমি দীর্ঘজীবী হও') সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ক) বাড়াবাড়ি
খ) প্রাচীন বস্তু
গ) হিসাব-নিকাশ
ঘ) অসম্ভব বস্তু
Note : 'গাছপাথর' বাগধারাটি 'হিসাব-নিকাশ' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: আমার কাছে সবকিছুর গাছপাথর আছে, অর্থাৎ সবকিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব আছে।
ক) স্রোত
খ) সময়
গ) ভেড়া
ঘ) নদী
Note : 'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারাটির অর্থ হলো 'অন্ধ অনুকরণ'। এখানে 'গড্ডল' বা 'গড্ডর' শব্দের অর্থ হলো ভেড়া। ভেড়ারা যেমন দলবেঁধে একে অন্যকে অনুসরণ করে চলে, তেমনি অন্ধ অনুকরণকে এই বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়।
ক) ক্রিয়া ও অব্যয়
খ) অব্যয় ও ক্রিয়া
গ) সর্বনাম বিশেষ্য
ঘ) ক্রিয়া ও সর্বনাম
Note : বাংলা গদ্যের সাধুরীতি ও চলিতরীতির মধ্যে মূল পার্থক্য দেখা যায় ক্রিয়াপদ (যেমন: করিয়াছিল/করেছিল) এবং সর্বনাম পদের (যেমন: তাহার/তার) রূপে। এই দুই পদেই পরিবর্তন সবচেয়ে স্পষ্ট।
ক) শশব্যস্ত
খ) কালচক্র
গ) পরাণপাখি
ঘ) বহুব্রীহি
Note : উপমান কর্মধারয় সমাসে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সমাস হয়। 'শশব্যস্ত'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'শশকের (খরগোশ) ন্যায় ব্যস্ত'। এখানে উপমান (শশক) ও সাধারণ ধর্মের (ব্যস্ত) সমাস হয়েছে।
জব সলুশন