কোনটি 'বহুব্রীহি' সমাসের উদাহরণ?
ক) বিমনা
খ) সজ্জন
গ) প্রভাত
ঘ) নির্বিঘ্ন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'বিমনা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'বিশেষ মন যার' বা 'নাই মন যার'। এখানে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস। অন্যগুলো (সজ্জন-কর্মধারয়, প্রভাত-প্রাদি তৎপুরুষ, নির্বিঘ্ন-অব্যয়ীভাব) ভিন্ন সমাসের উদাহরণ।
Related Questions
ক) ভানু
খ) নিশীথিনী
গ) কোমলকান্ত
ঘ) রজনীকান্ত
Note : 'রজনীকান্ত' শব্দের অর্থ 'রাতের কান্ত বা স্বামী', যা চাঁদের একটি সমার্থক শব্দ। 'ভানু' অর্থ সূর্য, 'নিশীথিনী' অর্থ রাত্রি এবং 'কোমলকান্ত' সাধারণত সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ক) বাংলা
খ) আরবি
গ) ফারসি
ঘ) সংস্কৃত
Note : 'সু' একটি বাংলা উপসর্গ যা 'উত্তম' বা 'ভালো' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: সুনাম (ভালো নাম), সুখবর (ভালো খবর)। এটি তৎসম উপসর্গ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় (যেমন: সুকণ্ঠ), কিন্তু 'সুনাম' শব্দটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত।
ক) দেশি
খ) বিদেশি
গ) তৎসম
ঘ) খাঁটি বাংলা
Note : ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, যা শুধুমাত্র তৎসম বা সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দের বানানে এই নিয়ম খাটে না।
ক) ষ+ম
খ) ষ+ন
গ) ষ+ণ
ঘ) ষ+হ
Note : 'ষ্ণ' একটি যুক্তবর্ণ যা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ভাঙলে मूर्धन्य 'ষ' (ষ) এবং मूर्धन्य 'ণ' (ণ) পাওয়া যায়। যেমন: কৃষ্ণ, তৃষ্ণা ইত্যাদি।
ক) গব+ এষণা
খ) গো + এষণা
গ) গো+ ষণা
ঘ) গ+ বেষণা
Note : ‘গবেষণা’ শব্দটি স্বরসন্ধির ‘অয়াদি সন্ধি’র নিয়ম অনুসারে গঠিত। নিয়মটি হলো: ও-কারের পর ও-কার ভিন্ন অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকলে, ও-কারের স্থানে ‘অব্’ হয়। এখানে, গো (গ্ + ও) + এষণা = গ্ + অব্ + এষণা = গবেষণা। তাই সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো ‘গো + এষণা’।
ক) টেমস
খ) বুড়িগঙ্গা
গ) শীতলক্ষা
ঘ) ব্রহ্মপুত্র
Note : বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাঁধ। ১৮৬৪ সালে ঢাকার কমিশনার সি. টি. বাকল্যান্ড বন্যার কবল থেকে শহরকে রক্ষা করার জন্য এই বাঁধটি নির্মাণ করেন।
জব সলুশন