'শূন্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
ক) লুইপা
খ) কাহ্নপা
গ) দৌলত উজির বাহারাম খা
ঘ) রামাই পণ্ডিত
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'শূন্যপুরাণ' একটি মধ্যযুগীয় বাংলা ধর্মসাহিত্য। এটি রামাই পণ্ডিতের রচনা। এই গ্রন্থে বৌদ্ধধর্মের শূন্যবাদ এবং লৌকিক হিন্দুধর্মের মিশ্রণ দেখা যায়, যা মূলত ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ।
Related Questions
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বিষ্ণু দেব
গ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ঘ) বুদ্ধদেব বসু
Note : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম বিখ্যাত ইংরেজ কবি টি. এস. এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। তিনি এলিয়টের 'The Journey of the Magi' কবিতাটি 'তীর্থযাত্রী' শিরোনামে অনুবাদ করেন।
ক) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
খ) রাজশেখর বসু
গ) সমর সেন
ঘ) সমরেশ মজুমদার
Note : বিখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 'নীল লোহিত' ছদ্মনামে অসংখ্য জনপ্রিয় লেখা লিখেছেন। তার অন্যান্য ছদ্মনাম হলো 'সনাতন পাঠক' ও 'নীল উপাধ্যায়'।
ক) বহিরঙ্গ
খ) স্থাবর
গ) অস্থাবর
ঘ) শান্তি
Note : 'জঙ্গম' শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে বা গতিশীল। এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'স্থাবর', যার অর্থ যা স্থির বা নড়াচড়া করতে পারে না। যেমন: স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি।
ক) সৌজন্নতা
খ) সৌজন্যতা
গ) সৌজনতা
ঘ) সৌজন্য
Note : 'সৌজন্য' শব্দটি নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ 'সদ্ব্যবহার' বা 'ভদ্রতা'। এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যোগ করার প্রয়োজন নেই। 'সৌজন্যতা' একটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট ও অশুদ্ধ শব্দ। সঠিক শব্দ 'সৌজন্য'।
ক) ইন্দিবর
খ) পুণ্ডরীক
গ) মৃণালিনী
ঘ) কোকনদ
Note : বিভিন্ন রঙের পদ্মের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। 'নীল বর্ণ পদ্ম'কে এক কথায় 'ইন্দিবর' বলা হয়। 'পুণ্ডরীক' হলো শ্বেত পদ্ম এবং 'কোকনদ' হলো রক্ত বা লাল পদ্ম।
ক) প্রত্যয়
খ) উপসর্গ
গ) অনুসর্গ
ঘ) বিভক্তি
Note : উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ বসে 'প্রহার' শব্দটি গঠিত হয়।
জব সলুশন