বাঁশী বাজে ঐ মধুর লগনে' --- এটি কোন বাচ্য?
ক) কর্মকর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) কর্তৃবাচ্য
ঘ) ভাববাচ্য
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই বাক্যে 'বাঁশী' হলো কর্ম, কিন্তু এটি কর্তার মতো কাজ করছে (কে বাজে? - বাঁশী)। যখন বাক্যের কর্ম কর্তার কাজ সম্পাদন করে, তখন তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
Related Questions
ক) সুখী
খ) শ্বশ্রৃ
গ) প্রকৃতি
ঘ) একাদশী
Note : 'সুখী' শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। এটি একটি বিশেষণ যা লিঙ্গ নিরপেক্ষ। অন্যদিকে, শ্বশ্রূ (শাশুড়ি), প্রকৃতি (স্বভাব, নারী অর্থেও ব্যবহৃত) এবং একাদশী (তিথি) স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ।
ক) আভাস
খ) গরমিল
গ) অজানা
ঘ) বেমালুম
Note : 'অজানা' শব্দটি 'অ' উপসর্গযোগে গঠিত। এখানে 'অ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা 'নিন্দিত', 'নেতিবাচক' বা 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 'গরমিল' ও 'বেমালুম' বিদেশি উপসর্গ এবং 'আভাস'-এ 'আ' তৎসম উপসর্গ।
ক) স্ব + আগত
খ) সুব + আগত
গ) সু + আগত
ঘ) স্ব + গত
Note : এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম। উ-কার (সু) এর পরে অন্য স্বরধ্বনি (আ) থাকলে উ-কার ব-ফলা (ব) হয়ে যায়। তাই, সু + আগত = স্বাগত।
ক) বড্ড
খ) উচ্ছ্বাস
গ) বিলিত
ঘ) ফাগুণ
Note : সমীভবন মানে দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করা। 'উচ্ছ্বাস' শব্দটি 'উৎ + শ্বাস' থেকে এসেছে, যেখানে 'ত' এবং 'শ' মিলে 'চ্ছ' হয়েছে। এটি অন্যান্য সমীভবনের একটি আদর্শ উদাহরণ।
ক) মুমূর্ষু
খ) ভাষা
গ) প্রতিষ্ঠান
ঘ) কষ্ট
Note : বাংলা ব্যাকরণের ষত্ব-বিধান অনুযায়ী, কিছু শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়। 'ভাষা' শব্দটি তার মধ্যে অন্যতম। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে 'প্রতিষ্ঠান'-এ 'ষ্ঠ' যুক্তবর্ণ এবং 'কষ্ট'-এ 'ষ্ট' যুক্তবর্ণ নিয়ম অনুসারে গঠিত।
ক) স্বরধ্বনি
খ) ব্যঞ্জনধ্বনি
গ) মৌলিক ধ্বনি
ঘ) যুগ্মধ্বনি
Note : ধ্বনি উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী, যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে। যেমন: অ, আ, ই, উ। অন্যদিকে, ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে বাতাস কোথাও না কোথাও বাধা পায়।
জব সলুশন