‘মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এ পঙক্তিটি কার রচনা?
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তিসমূহ:
- "কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদুর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।" (স্বর্গ-নরক: শেখ ফজলল করিম)
- "সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন / হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।" (শেখ ফজলল করিম)
- "চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন / ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে? কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে / কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।" (সমব্যথী: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "যে জন দিবসে মনের হরষে, জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার, দেখিবে না আর, / নিশীথে প্রদীপ ভাতি।" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমলতুলিতে / দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহিতে?" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "কেন পান্থ ক্ষান্থ হও হেরি দীর্ঘ পথ / উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ।" (কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)
- "পারিবনা একথাটি বলিও না আর, কেন পারিবেনা তাহা ভাব একবার, পাঁচজনে পারে যাহা, তুমিও পারিবে তাহা, পার কি না পার কর যতন আবার / একবার না পারিলে দেখ শতবার।" (পারিব না: কালীপ্রসন্ন ঘোষ)
Related Questions
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩)এবং দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরন করেন মৃন্ময়ী (১৮৭৪)।
এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস
- ১৯২৬ সালে ঢাকায় মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন লেখকরা গঠন করেন ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’।
- তারা মনে করতেন ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
- সংগঠনটির মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘শিখা’ পত্রিকা।
- তাই পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যায় কথাটি লেখা থাকত। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ আবুল হোসেন।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ' সঞ্চিতা' কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।
সঞ্চিতা (কাব্যগ্রন্থ)
সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - ‘বিদ্রোহী’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘মানুষ’, ‘জীবন বন্দনা’, ‘খুকী ও কাঠবেড়ালী’, ‘চল্ চল্ চল্’ প্রভৃতি প্রধান।
গ্রন্থটির উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে: “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”।
সম্রাট জাহাঙ্গীর সিংহাসনে আরোহণ করে ইসলাম খান চিশতীকে বাংলা অধিকারে প্রেরণ করেন। ইসলাম খান ১৬১০ সালে মুসা খানকে পরাজিত করে বাংলা অধিকার করেন এবং ঢাকার নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীর নগর’। তিনি এ সময় রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্হানান্তর করেন। উল্লেখ্য, ঢাকাকে ১৬১০ সালের পর ১৯০৫ সালে দ্বিতীয়বার, ১৯৪৭ সালে তৃতীয়বার ও ১৯৭১ সালে চতুর্থ বার রাজধানী করা হয়।
৮১ ÷ ৩ = ২৭
২৭ ÷ ৩ = ৯
৯ ÷ ৩ = ৩
৩ ÷ ৩ = ১
লুপ্ত সংখ্যা = ৯
১৯৯৫ সালে লিপ ইয়ার নয় মোট সময় ৩৬৫ দিন ৩৬৫ - ৭ = ৫২ সপ্তাহ ১ দিন ১৯৯৫ সালের ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর শুক্রবার ।
জব সলুশন