প্রাপকের উদ্দেশ্যে সম্বোধনসূচক শব্দ ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায় কখন ?

ক) প্রাপক-প্রেরকের বয়সভেদে
খ) হিন্দু ও মুসলিম রীতিতে
গ) প্রাপক-প্রেরকের সম্পর্কভেদে
ঘ) উপরের সবকটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পত্রের সম্বোধন নির্ভর করে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যকার সম্পর্কের ওপর। এই সম্পর্কের ভিন্নতার কারণ হতে পারে বয়স (বড় বা ছোট), ধর্মীয় রীতি (যেমন: আদাব, নমস্কার), এবং সম্পর্কের ধরন (বাবা, বন্ধু, শিক্ষক)। সুতরাং, প্রদত্ত সবকটি অপশনই সম্বোধনের ভিন্নতার কারণ হতে পারে।

Related Questions

ক) ব্যক্তিগত পত্র
খ) সামাজিক পত্রে
গ) মানপত্রে
ঘ) বাণিজ্যিক পত্রে
Note : বাণিজ্যিক বা দাপ্তরিক পত্রে মূল বক্তব্যের আগে 'বিষয়' উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। কারণ, এসব ক্ষেত্রে প্রাপকের হাতে সময় কম থাকে এবং 'বিষয়' দেখে তিনি দ্রুত পত্রটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারেন। ব্যক্তিগত বা সামাজিক পত্রে সাধারণত আলাদা করে বিষয় লেখার প্রয়োজন হয় না।
ক) পূর্ণ ও স্পষ্ট ঠিকানা
খ) প্রয়োজনীয় সীলমোহর
গ) উপযুক্ত সম্ভাষণ
ঘ) সঠিক দিন তারিখ
Note : 'ডেড লেটার' বা 'মৃত পত্র' হলো সেই চিঠি যা প্রেরক বা প্রাপক—কারো কাছেই পৌঁছানো যায় না। এর প্রধান কারণ হলো চিঠির খামের উপর প্রাপকের ঠিকানা অসম্পূর্ণ, অস্পষ্ট বা ভুল থাকা। পূর্ণ ও স্পষ্ট ঠিকানার অভাবে ডাক বিভাগ চিঠিটি বিলি করতে পারে না এবং এটি 'ডেড লেটার' হিসেবে গণ্য হয়।
ক) ড্যাস
খ) কোলন
গ) সেমিকোলন
ঘ) হাইফেন
Note : যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে, দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য যখন একে অপরের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু কিছুটা ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে, তখন তাদের সংযোগস্থলে ড্যাশ (—) ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সুস্পষ্ট বিচ্ছেদ ও সংযোগ স্থাপন করে। যেমন: তোমরা দরিদ্রের উপকার কর—এতে তোমাদের সম্মান যাবে না, বাড়বে।
ক) বিলুপ্ত বর্ণের জন্য
খ) প্রত্যক্ষ উক্তির জন্য
গ) উদ্ধরণ চিহ্নের জন্য
ঘ) সমাসবদ্ধ পদের জন্য
Note : বাংলা ব্যাকরণে, কোনো শব্দ থেকে কোনো বর্ণ লোপ পেলে বা বিলুপ্ত হলে তা বোঝানোর জন্য ইলেক বা লোপ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন: 'মাথার 'পরে' (মাথার উপরে), 'দু'জন' (দুইজন)। এখানে 'উপ' এবং 'ই' বর্ণ লোপ পেয়েছে।
ক) প্রশ্নবোধক
খ) বিস্ময়চিহ্ন
গ) দাঁড়ি
ঘ) ড্যাশ
Note : 'কি বললে, আমি পাগল'—এই বাক্যটি দ্বারা প্রশ্ন করার চেয়ে বিস্ময়, অবিশ্বাস বা তীব্র আবেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। তাই বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। এটি বাক্যটির আবেগকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
ক) কমা
খ) ড্যাশ
গ) সেমিকোলন
ঘ) প্রশ্নচিহ্ন
Note : যে বিরাম চিহ্নগুলো বাক্যের শেষে বসে একটি সম্পূর্ণ ভাবকে সমাপ্ত করে, তাদের প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বলে। দাঁড়ি (।), প্রশ্নচিহ্ন (?) এবং বিস্ময়চিহ্ন (!) হলো প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন। কমা, ড্যাশ, ও সেমিকোলন বাক্যের মাঝে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র প্রশ্নচিহ্নই প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন