কোন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়?
ক) পাল
খ) সেন
গ) মুঘল
ঘ) তুর্কী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে অনুমান করা হয়। এই সময় বাংলায় পাল রাজবংশ (আনুমানিক ৭৫০-১১৭৪ খ্রিষ্টাব্দ) শাসন করত। তাই চর্যাপদ রচনা পাল আমলে শুরু হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
Related Questions
ক) অগ্নি
খ) অপলক
গ) যজ্ঞ
ঘ) লালসা
Note : 'বীতিহোত্র' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ অগ্নি, আগুন, অনল, পাবক, হুতাশন ইত্যাদি। এটি যজ্ঞে আহুতি গ্রহণকারী হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, তবে মূল অর্থ 'অগ্নি'।
ক) কর্তৃবাচ্য
খ) ভাববাচ্য
গ) কর্ম কর্তৃবাচ্য
ঘ) কর্মবাচ্য
Note : এই বাক্যে কর্ম (বিদ্বান) প্রধান এবং কর্তা (সকলের) 'দ্বারা' অনুসর্গযোগে যুক্ত হয়েছে। ক্রিয়াপদটি কর্মকে অনুসরণ করেছে ('আদৃত হন')। যে বাচ্যে কর্ম প্রাধান্য পায় এবং ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
ক) গাড়ি
খ) মানুষ
গ) পাখি
ঘ) শিক্ষক
Note : বাংলা ব্যাকরণে, যে সকল অচেতন বা জড় পদার্থের লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায় না, তাদের ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়। 'গাড়ি' একটি জড় বস্তু, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ। 'মানুষ' উভয় লিঙ্গ, 'পাখি' উভয় লিঙ্গ এবং 'শিক্ষক' পুংলিঙ্গ (সাধারণ অর্থে)।
ক) আঁকাড়া
খ) অবেলা
গ) অপমান
ঘ) অতিশয়
Note : এখানে 'আঁকাড়া' শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'আঁ' (অর্থ: বক্র বা বাজে) যোগে গঠিত হয়েছে (আঁ + কাড়া)। 'অবেলা'-তে 'অ' তৎসম উপসর্গ, 'অপমান'-এ 'অপ' তৎসম উপসর্গ এবং 'অতিশয়'-এ 'অতি' তৎসম উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং, 'আঁকাড়া' সঠিক উত্তর।
ক) মনঃ+কষ্ট
খ) ইতঃ+পূর্বে
গ) সিম্+হ
ঘ) শ্রু+অন
Note : সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদটি হবে 'সিং+হ = সিংহ'। এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ, যেখানে সাধারণ নিয়ম মানা হয় না। 'সিম্+হ' কোনো সঠিক সন্ধির নিয়ম নয়। অন্য অপশনগুলো (মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট, ইতঃ+পূর্বে = ইতঃপূর্বে, শ্রু+অন = শ্রবণ) সঠিক।
ক) সমীভবন
খ) বিষমীভবন
গ) অপিনিহিত
ঘ) অসমীকরণ
Note : প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত সমীভবন বা অ্যাসিমিলেশন (Assimilation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। সমীভবন হলো উচ্চারণের সুবিধার্থে দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে সমতা লাভ করা। যেমন: 'কাঁদ্ + না = কান্না', এখানে 'দ' ধ্বনি 'ন' ধ্বনির প্রভাবে 'ন'-তে পরিণত হয়েছে। এটিই খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির প্রধান নিয়ম।
জব সলুশন