নিচের কোনটি বহুবচন বাচক শব্দ নয়?
ক) মালা
খ) দাম
গ) ফুল
ঘ) গ্রাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'মালা', 'দাম', 'সমূহ', 'রাজি' ইত্যাদি শব্দ সমষ্টি বা বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। 'ফুল' শব্দটি একবচন হলেও সমষ্টি বোঝাতে পারে (যেমন- ফুল ফুটেছে)। কিন্তু 'গ্রাম' শব্দটি নির্দিষ্টভাবে একটি গ্রামকে বোঝায়, এটি বহুবচন বাচক শব্দ নয়।
Related Questions
ক) নিষ্ঠা
খ) সদাচার
গ) সততা
ঘ) সংযম
Note : 'শিষ্টাচার' অর্থ ভদ্র ও মার্জিত আচরণ। 'সদাচার' শব্দের অর্থও সৎ বা ভালো আচরণ। তাই এটিই সবচেয়ে নিকটবর্তী সমার্থক শব্দ। 'নিষ্ঠা' অর্থ একাগ্রতা, 'সততা' অর্থ সাধুতা, 'সংযম' অর্থ আত্মনিয়ন্ত্রণ।
ক) কারা যোজক
খ) বিকল্প যোজক
গ) সাপেক্ষ যোজক
ঘ) সাধারণ যোজক
Note : সাপেক্ষ যোজক বা নিত্যসম্বন্ধীয় অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় এবং একটি অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। যেমন: যদি-তবে, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
ক) পাউরুটি
খ) দারোগা
গ) ওলন্দাজ
ঘ) কার্তুজ
Note : 'পাউরুটি' শব্দটি পর্তুগিজ 'pão' (পাউ) শব্দ থেকে বাংলায় এসেছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ। 'দারোগা' তুর্কি, 'কার্তুজ' ফরাসি এবং 'ওলন্দাজ' ডাচ শব্দ।
ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
Note : যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ তালুর কাছাকাছি আসে, তাদের তালব্য বর্ণ বলে। বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যে 'ই' এবং 'ঈ' হলো তালব্য বর্ণ।
ক) অসমিয়া
খ) উড়িয়া
গ) হিন্দী
ঘ) ব্রজবুলি
Note : ভাষাতাত্ত্বিকভাবে, বাংলা ও অসমিয়া ভাষা 'বঙ্গকামরূপি' বা 'গৌড়-কামরূপী' নামক একটি সাধারণ প্রাকৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। তাই অসমিয়া হলো বঙ্গকামরূপি থেকে সৃষ্ট একটি ভাষা।
ক) প্রচণ্ড উত্তেজনা
খ) রাশভারী
গ) প্রবল আনন্দিত
ঘ) অপ্রত্যাশিত বিপদ
Note : 'সপ্তমে চড়া' বাগধারাটির অর্থ হলো প্রচণ্ড রাগ বা উত্তেজনা প্রকাশ করা। যখন কেউ খুব রেগে যায় বা উত্তেজিত হয়ে কথা বলে, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন