তুর্কি নাচন’ বাগধারটির অর্থ কী?
ক) অরাজক দেশ
খ) সামনের দিকে
গ) নাজেহাল অবস্থা
ঘ) দুঃসময়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'তুর্কি নাচন' বাগধারাটির অর্থ হলো উত্ত্যক্ত হয়ে নাজেহাল হওয়া বা চরম বিপদে পড়ে দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটি করা। এটি একটি তীব্র সংকটময় পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ক) গাছে তুলে মই কাড়া
খ) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
গ) ধরি মাছ না ছুঁই পানি
ঘ) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
Note : 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো রকম ঝুঁকি বা সংশ্রব এড়িয়ে নিজের কাজ হাসিল করা, অর্থাৎ চতুরতার সাথে বা কৌশলে কার্যোদ্ধার করা।
ক) জীবনান্দ দাস
খ) কামিনী রায়
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
Note : এটি বিখ্যাত কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের 'ফুল ফুটুক না ফুটুক' কবিতার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় লাইন। উক্তিটি বসন্তের আগমনকে এক অনিবার্য প্রাকৃতিক সত্য হিসেবে তুলে ধরে।
ক) উর্ধ্বতন
খ) নির্বাহী
গ) সহযোগী
ঘ) ব্যবস্থাপক
Note : 'Executive' একটি প্রশাসনিক পরিভাষা। এর সবচেয়ে সঠিক ও প্রচলিত বাংলা পরিভাষা হলো 'নির্বাহী'। যেমন: Executive Officer - নির্বাহী কর্মকর্তা।
ক) হোমার
খ) ট্যাসো
গ) মিল্টন
ঘ) ভার্জিল
Note : 'ইনিড' (Aeneid) হলো একটি বিখ্যাত ল্যাটিন মহাকাব্য, যার রচয়িতা হলেন রোমান কবি ভার্জিল (Virgil)। এটি ট্রোজান বীর ইনিয়াসের কাহিনী বর্ণনা করে।
ক) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
খ) ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ
গ) ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
ঘ) কোনটিই নয়
Note : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ এবং ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে ৭ই মে, ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দ। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
ক) অগ্নিবীণা
খ) দোলনচাঁপা
গ) ছায়ানট
ঘ) চক্রবাক
Note : কাজী নজরুল ইসলামকে 'বিদ্রোহী কবি' বলা হয়। তাঁর 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহের প্রতীক। 'বিদ্রোহী', 'ধূমকেতু' ইত্যাদি বিখ্যাত কবিতা এই কাব্যের অন্তর্গত।
জব সলুশন