অগ্রে জন্মেছে যে- এক কথায় কী হবে?
ক) অগ্রজ
খ) সরোজ
গ) ক্ষণজন্মা
ঘ) ঊষর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যে আগে বা অগ্রে জন্মগ্রহণ করে, তাকে এককথায় 'অগ্রজ' বলা হয়। এর বিপরীত হলো 'অনুজ' (পশ্চাতে জন্মেছে যে)।
Related Questions
ক) ন্যায়াধিশ
খ) ন্যায়পাল
গ) ন্যায়রত্ন
ঘ) ন্যায়বিচারক
Note : Ombudsman' হলেন একজন সরকারি কর্মকর্তা যিনি জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনিক ত্রুটি-বিচ্যুতি তদন্ত করেন। বাংলা ভাষায় এর সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা হলো 'ন্যায়পাল' (ন্যায়-এর রক্ষক)। অন্যান্য বিকল্পগুলো (যেমন: ন্যায়াধিশ - Judge) এই নির্দিষ্ট পদটির অর্থ বহন করে না।
ক) কারা যোজক
খ) বিকল্প যোজক
গ) সাপেক্ষ যোজক
ঘ) সাধারণ যোজক
Note : সাপেক্ষ যোজক হলো এমন এক জোড়া যোজক যা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দুটি বাক্যাংশকে যুক্ত করে। যেমন: 'যদি-তবে', 'যতই-ততই', 'যিনি-তিনি' ইত্যাদি। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ।
ক) পাউরুটি
খ) দারোগা
গ) ওলন্দাজ
ঘ) কার্তুজ
Note : বাংলা ভাষায় বহু পর্তুগিজ শব্দ প্রবেশ করেছে। তার মধ্যে পাউরুটি, আনারস, আলপিন, চাবি, বালতি, সাবান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 'দারোগা' তুর্কি শব্দ, 'কার্তুজ' ফরাসি শব্দ এবং 'ওলন্দাজ' ডাচ শব্দ।
ক) এ, ঐ
খ) ই, ঈ
গ) উ, ঊ
ঘ) ও, ঔ
Note : যে সব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার মধ্যভাগ উপরের তালুকে স্পর্শ করে, তাদের তালব্য বর্ণ বলে। স্বরবর্ণের মধ্যে 'ই' এবং 'ঈ' হলো তালব্য বর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ-ও তালব্য বর্ণ।
ক) অসমিয়া
খ) উড়িয়া
গ) হিন্দী
ঘ) ব্রজবুলি
Note : ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মাগধী প্রাকৃত থেকে সৃষ্ট পূর্বী অপভ্রংশ থেকে বঙ্গকামরূপি ভাষার উদ্ভব হয়। এই বঙ্গকামরূপি ভাষা থেকেই পরবর্তীতে বাংলা, অসমিয়া ও উড়িয়া ভাষার জন্ম হয়। বিকল্পগুলোর মধ্যে অসমিয়া সরাসরি বঙ্গকামরূপি থেকে সৃষ্ট।
ক) প্রচণ্ড উত্তেজনা
খ) রাশভারী
গ) প্রবল আনন্দিত
ঘ) অপ্রত্যাশিত বিপদ
Note : সপ্তমে চড়া' বাগধারাটির অর্থ হলো প্রচণ্ড রাগ বা উত্তেজনা প্রকাশ করা। সাধারণত কণ্ঠস্বর খুব উঁচু পর্দায় উঠলে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন