বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কে?
ক) শ্রী চৈতন্য
খ) বিদ্যাপতি
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) জ্ঞানদাস
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাখা বৈষ্ণব পদাবলি। যদিও চণ্ডীদাস বাংলা ভাষায় পদ রচনা করেন, মৈথিলি ভাষার কবি বিদ্যাপতিকে এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাকে পদাবলির আদি রচয়িতা হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
Related Questions
ক) গায়িকা
খ) সেবিকা
গ) বালিকা
ঘ) মলিনা
Note : গায়িকা', 'সেবিকা', 'বালিকা' শব্দগুলোতে 'ইকা' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে (গায়ক+ইকা, সেবক+ইকা, বালক+ইকা)। অন্যদিকে 'মলিন' শব্দের সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ 'মলিনা' গঠিত হয়েছে।
ক) অগ্নী + এয়
খ) অগ্নি + ষ্ণেয়
গ) অগ্নি + এয়
ঘ) অগ্নি + য়
Note : 'আগ্নেয়' শব্দটি 'অগ্নি' সম্পর্কিত অর্থ প্রকাশ করে। এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো 'অগ্নি' (প্রকৃতি) + 'ষ্ণেয়' (প্রত্যয়)। এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ, যেখানে ষ্ণেয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ 'আগ্নেয়' গঠিত হয়েছে।
ক) থেকে
খ) দ্বারা
গ) চেয়ে
ঘ) অতি
Note : উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। 'থেকে', 'দ্বারা', 'চেয়ে' হলো অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়। অন্যদিকে 'অতি' একটি তৎসম উপসর্গ (যেমন: অতিরিক্ত)।
ক) ধনুষ+টঙ্কার
খ) ধনু:+টঙ্কার
গ) ধনু+টঙ্কার
ঘ) ধনুট+ঙ্কার
Note : বিসর্গের পর 'ট' বা 'ঠ' থাকলে বিসর্গটি 'ষ'-তে পরিণত হয়। এখানে 'ধনু:' এর পর 'টঙ্কার' থাকায় বিসর্গটি 'ষ' হয়ে 'ধনুষ্টংকার' শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ ধনু:+টঙ্কার।
ক) বাক্যতত্ত্ব
খ) অর্ধতত্ত্ব
গ) ধ্বনিতত্ত্ব
ঘ) রূপতত্ত্ব
Note : ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান হলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে 'ণ' এবং 'ষ' ব্যবহারের নিয়ম। যেহেতু यह ধ্বনির সঠিক ব্যবহার ও উচ্চারণ সম্পর্কিত, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
ক) ধ্বনি বিপর্যয়
খ) ব্যঞ্জন বিকৃতি
গ) অপিনিহিতি
ঘ) বিপ্রকর্ষ
Note : দুটি ব্যঞ্জন ধ্বনির মধ্যে যখন স্থান বদল ঘটে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা Metathesis বলে। যেমন: রিকশা > রিস্কা, পিশাচ > পিচাশ। এখানে 'ক' ও 'শ' এবং 'শ' ও 'চ' পরস্পর স্থান পরিবর্তন করেছে।
জব সলুশন