কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য ?
ক) লেখন নির্ভরশীলতা
খ) গুরুগম্ভীর
গ) কথন নির্ভরশীলতা
ঘ) উপরের সবকটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি কথ্য ভাষারূপ থেকে উদ্ভূত, তাই এটি প্রধানত কথন-নির্ভর। এটি সহজ, সাবলীল এবং স্বাভাবিক, গুরুগম্ভীর বা আড়ম্বরপূর্ণ নয়। লেখন-নির্ভরতা সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য।
Related Questions
ক) তুলা
খ) শুকনো
গ) পড়িল
ঘ) সহিত
Note : 'শুকনো' শব্দটি চলিত রীতির শব্দ। 'তুলা' সাধু ও চলিত উভয় রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে, 'পড়িল' ক্রিয়াপদের সাধু রূপ এবং 'সহিত' তৎসম শব্দ যা সাধু ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক) সপ্তম শতাব্দী
খ) অষ্টম শতাব্দী
গ) নবম শতাব্দী
ঘ) দশম শতাব্দী
Note : বাংলা ভাষার উৎপত্তির মূলধারা পাওয়া যায় খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর চর্যাপদে। যদিও এর গঠন ও বিকাশ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, তবুও এই সময়কালকেই বাংলা ভাষার আদি পর্যায় ধরা হয়।
ক) ক্রিয়াপদের সঙ্কুচিত রূপ ব্যবহৃত হয়
খ) তদ্ভব, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশী শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত বেশি
গ) তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশী
ঘ) সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়
Note : চলিত ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সহজ, সাবলীল এবং গতিময় রূপ। এতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় এবং তদ্ভব, দেশি ও বিদেশী শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। পক্ষান্তরে, সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি থাকে, চলিত ভাষায় এর প্রয়োগ কম।
ক) অর্থদ্যোতকতা
খ) জনসমাজে ব্যবহার যোগ্যতা
গ) মানুষের কন্ঠনিঃসৃত ধ্বনি
ঘ) ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি
Note : ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি মানুষের কন্ঠনিঃসৃত ধ্বনি দ্বারা গঠিত, যা অর্থ প্রকাশ করে এবং সমাজে ব্যবহৃত হয়। ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি যোগাযোগের একটি মাধ্যম হলেও একে ভাষার পূর্ণাঙ্গ বৈশিষ্ট্য বলা যায় না, কারণ ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ এবং ধ্বনি ব্যবস্থা থাকে।
ক) ব্যাকরণ
খ) ভাষা
গ) ব্যাকরণ ও ভাষা
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : ভাষা মানুষের যোগাযোগের মৌলিক মাধ্যম এবং এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষের মধ্যে বিকশিত হয়েছে। ব্যাকরণ ভাষার সুশৃঙ্খল রূপ এবং নিয়মকানুন নির্ধারণ করে, যা ভাষা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তৈরি হয়। তাই ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে।
জব সলুশন