বাংলাদেশে টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল ?
ক) ১২ নটিক্যাল মাইল
খ) ১৪ নটিক্যাল মাইল
গ) ১৬ নটিক্যাল মাইল
ঘ) ১৮ নটিক্যাল মাইল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী, প্রতিটি দেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই বাংলাদেশেরও এই সীমা ১২ নটিক্যাল মাইল। অন্য অপশনগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।
Related Questions
ক) বাবর
খ) আকবর
গ) হুমায়ন
ঘ) জাহাঙ্গীর
Note : যদিও বাবর মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু বাংলায় মুঘল শাসনের প্রতিষ্ঠা এবং বিস্তারকে প্রায়শই হুমায়ুনের শাসনামলের সাথে যুক্ত করা হয়, বিশেষ করে তাঁর শাসনকালের প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলায় তাঁর প্রভাব ছিল। তবে, যদি সমগ্র ভারত উপমহাদের কথা বলা হয়, প্রতিষ্ঠাতা বাবর। এখানে 'বাংলায়' উল্লেখ থাকায়, হুমায়ুনকে এই প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটি একটি বিতর্কিত প্রশ্ন। সঠিক উত্তর বাবর। এখানে উত্তর C দেওয়া আছে, যা হুমায়ুন। এটি একটি ভুল তথ্য। বাবর হলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
ক) 1750
খ) 1757
গ) 1850
ঘ) 1857
Note : ১৮৫৭ সালে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল, যা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের একটি বড় ধরনের প্রতিরোধ ছিল। ১৭৫০ বা ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ হয়েছিল, এবং ১৮৫০ সাল এই ঘটনার কাছাকাছি হলেও, বিদ্রোহের প্রকৃত শুরু ১৮৫৭ সালেই।
ক) রাজা ত্রিদিব রায়
খ) রাজা ত্রিভুবন চাকমা
গ) জুম্মা খান
ঘ) জান বখশ খাঁ
Note : জান বখশ খাঁ ছিলেন সেই চাকমা জুমিয়া নেতা যিনি ব্রিটিশ বণিকদের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। রাজা ত্রিদিব রায় ও রাজা ত্রিভুবন চাকমা পরবর্তীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, এবং জুম্মা খান একটি সাধারণ নাম হতে পারে, কিন্তু ঐতিহাসিক বিদ্রোহের নেতা হিসেবে জান বখশ খাঁই পরিচিত।
ক) নারিকেলবাড়িয়া
খ) বারাসাত
গ) নদীয়া
ঘ) চাঁদপুর
Note : তিতুমীর মূলত তাঁর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি হিসেবে নারিকেলবাড়িয়াতে বিখ্যাত বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন। বারাসাত তাঁর কার্যকলাপের কাছাকাছি অঞ্চল হলেও, কেল্লাটি নারিকেলবাড়িয়াতেই অবস্থিত। নদীয়া বা চাঁদপুর এই ঘটনার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
ক) কৈবর্ত
খ) অশোক
গ) দিব্য
ঘ) কানু কৈবর্ত
Note : কৈবর্ত বিদ্রোহের মূল নেতা ছিলেন দিব্য। যদিও 'কৈবর্ত' একটি জাতিবাচক শব্দ এবং 'কানু কৈবর্ত' একটি সম্ভাব্য নাম, কিন্তু ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে দিব্যই এই বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন। অশোক ছিলেন একজন প্রাচীন ভারতীয় সম্রাট, যিনি এই সময়ের অনেক আগের।
ক) ইলা মিত্র
খ) মহাশ্বেতা দেবী
গ) তারামন বিবি
ঘ) সুমিত্রা দেবী
Note : তেভাগা আন্দোলন ছিল কৃষকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন, যেখানে তারা জমির ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ দাবি করেছিল। ইলা মিত্র এই আন্দোলনের একজন প্রধান এবং অগ্রণী নেত্রী হিসেবে পরিচিত। মহাশ্বেতা দেবী ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক যিনি এই ধরনের আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন, তারামন বিবি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, এবং সুমিত্রা দেবী এই আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত প্রধান নেত্রী হিসেবে তেমন পরিচিত নন।
জব সলুশন