'চুনোপুঁটি' বাগধারাটির অর্থ কী?
'চুনোপুঁটি' বলতে সাধারণত ছোটখাটো, কম প্রভাবশালী বা গুরুত্বহীন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে বোঝানো হয়। এদের সংখ্যা বেশি হতে পারে কিন্তু প্রভাব নগণ্য। 'নাছোড়বান্দা' মানে যে সহজে ছাড়ে না, 'বেহায়া' মানে যার লজ্জা নেই, এবং 'কিছুই নয়' একটি নেতিবাচক উত্তর। 'সামান্য ব্যক্তি' এই বাগধারার মূল ভাবকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে।
Related Questions
এখানে 'ডুব মারা' মানে কোনো দায়িত্ব বা সমস্যা থেকে বাঁচতে হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা কোনো স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়া। যেমন - কেউ টাকা ধার শোধ না দিয়ে ডুব মেরেছে। 'লুকিয়ে থাকা' হতে পারে, কিন্তু 'পালিয়ে যাওয়া' আরও সুনির্দিষ্ট। 'গোসল করা' আক্ষরিক অর্থ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়, এবং 'পালানার চেষ্টা' একটি প্রক্রিয়া, সম্পূর্ণ কাজ নয়। তাই 'পালিয়ে যাওয়া' সঠিক উত্তর।
'তুর্কি নাচন' বলতে সাধারণত একটি বিশৃঙ্খল, নিয়ন্ত্রণহীন এবং নানা রকম উৎপাতপূর্ণ অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা মানুষকে নাজেহাল করে তোলে। এটি প্রায়শই কোনো অরাজক পরিস্থিতি বা চরম অসুবিধার সময়ে ব্যবহৃত হয়। 'অরাজক দেশ' একটি রাষ্ট্রের অবস্থা বোঝায়, 'সামনের দিকে' একটি দিক নির্দেশ করে, এবং 'দুঃসময়' একটি কালকে বোঝায়। 'নাজেহাল অবস্থা' এই বাগধারার অর্থকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে।
দিবা স্বপ্ন বাগধারাটির অর্থ - অলীক কল্পনা।
একচোখা’ বাগধারাটির অর্থ হলো পক্ষপাতিত্ব বা পক্ষপাতদুষ্ট (Biased/Partiality)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
অকুল পাথার: ভীষণ বিপদ বা দিশেহারা অবস্থা।
ঢাকের কাঠি: মোসাহেব বা তোষামুদে ব্যক্তি।
উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা বা হঠাৎ এসে প্রাধান্য বিস্তার করা।
'রাজযোটক' কথাটি সাধারণত দুটি জিনিসের মধ্যে বা দুটি মানুষের মধ্যে অত্যন্ত সুন্দর ও আদর্শ মিল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন - পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বা কোনো জিনিসের সঙ্গে তার উপাদানের মধ্যে অপূর্ব সামঞ্জস্য। 'বিত্তবান' মানে ধনী, 'অন্তঃসারশূন্য' মানে সারহীন, এবং 'পশুশ্রম' মানে কঠোর পরিশ্রম। 'চমৎকার মিল' এই বাগধারাটির মূল ভাবকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
- 'কৈ মাছের প্রাণ' বাগধারার অর্থ শক্তপ্রাণ/দীর্ঘজীবী।
- 'বকধার্মিক' বাগধারার অর্থ ভন্ড সাধু।
- 'ধামাধরা' বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী।
- ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অকর্মণ্য
জব সলুশন