ভারতের কোন অঞ্চলের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমানা বিদ্যমান?

ক) পশ্চিমবঙ্গ
খ) ত্রিপুরা
গ) আসাম
ঘ) মিজোরাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সাথে। এই সীমান্ত প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ। বাংলাদেশের প্রায় সবকটি উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলা এই রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে।

Related Questions

ক) খাগড়াছড়ি
খ) বান্দরবান
গ) রাঙ্গামাটি
ঘ) কুমিল্লা
Note : রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা এবং এটি ভারতের দুটি রাজ্য - ত্রিপুরা এবং মিজোরামের সঙ্গে সীমানা ভাগ করে। ফলে, এই জেলাটি একদিকে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং অন্যদিকে ভারতের দুটি রাজ্যের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত। রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের একটি পার্বত্য জেলা যা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুটি রাজ্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা এভাবে দুটি দেশের সীমান্তবর্তী দুটি রাজ্য দ্বারা বেষ্টিত।
ক) 0.05
খ) 0.16
গ) 0.12
ঘ) 0.15
Note : বাংলাদেশ বন বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় ২২.৭৯% বনভূমি (২০২০-২১ সালের তথ্য অনুযায়ী)। তবে, প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে '১৬%' সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। সরকারি বিভিন্ন রিপোর্টে এই সংখ্যায় ভিন্নতা দেখা গেলেও, সাধারণত ১৬-২৫% এর মধ্যে থাকে। বাংলাদেশের বনভূমি এর মোট আয়তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জরিপে এই হার ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, তবে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। অপশনগুলোর মধ্যে ১৬% একটি যুক্তিসঙ্গত গড় নির্দেশ করে।
ক) ক্যালডীয় সভ্যতা
খ) অ্যাসিরীয় সভ্যতা
গ) সিন্ধু সভ্যতা
ঘ) ইনকা সভ্যতা
Note : হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি সিন্ধু সভ্যতার অংশ। এই সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে (বর্তমান পাকিস্তান ও উত্তর-পশ্চিম ভারত) বিকাশ লাভ করেছিল। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহুরে সভ্যতা। সিন্ধু সভ্যতা, যা হরপ্পা সভ্যতা নামেও পরিচিত, এটি মেসোপটেমীয় ও মিশরীয় সভ্যতার সমসাময়িক একটি বৃহৎ এবং উন্নত নগর সভ্যতা ছিল। ক্যালডীয়, অ্যাসিরীয় বা ইনকা সভ্যতা ভিন্ন সময় ও ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে বিকশিত হয়েছিল।
ক) মিশরীয়রা
খ) গ্রিকরা
গ) ক্যালডীয়রা
ঘ) ককেসীয়রা
Note : সপ্তাহের সাত দিনের ধারণাটি প্রাচীন ক্যালডীয় (ব্যাবিলনীয়) জ্যোতির্বিদদের কাছ থেকে এসেছে। তারা গ্রহ ও নক্ষত্রের প্রভাব অনুযায়ী সপ্তাহের প্রতিটি দিনকে নির্দিষ্ট দেবতার নামে নামকরণ করেছিল। এই ধারণাটি পরবর্তীতে গ্রিক ও রোমান সভ্যতার মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাচীন ক্যালডীয়রা জ্যোতির্বিদ্যা এবং গণিতশাস্ত্রে অত্যন্ত উন্নত ছিল। তারা চাঁদের পর্যায় ও গ্রহের গতির উপর ভিত্তি করে সাত দিনের সপ্তাহ পদ্ধতি প্রচলন করে, যা আজও প্রচলিত। মিশরীয়রা এই পদ্ধতি পরে গ্রহণ করে।
ক) চীনের প্রাচীরের কাছে
খ) ব্যাবিলনের উত্তরের গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
গ) দক্ষিণ আফ্রিকার ভিক্টেরিয়া প্রদেশে
ঘ) ইরানের সিরাজ শহরের ধ্বংসাব시에
Note : পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্রগুলির মধ্যে একটি পাওয়া গেছে ব্যাবিলনের কাছে অবস্থিত গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে। এই মানচিত্রটি পোড়ামাটির ফলকে খোদাই করা ছিল এবং এটি খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালের দিকে তৈরি বলে ধারণা করা হয়। এটি মেসোপটেমিয়ার ভূখণ্ড এবং তার পারিপার্শ্বিক অঞ্চলকে চিত্রিত করে। গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাপ্ত মানচিত্রটি প্রায় ৪,৫০০ বছরের পুরনো এবং এটি মেসোপটেমিয়ার ভূখণ্ডের একটি প্রাথমিক ধারণা দেয়। চীনের প্রাচীর বা অন্য কোনো স্থানের প্রাপ্ত নিদর্শন এত প্রাচীন নয়।
ক) ব্যবিলন
খ) সুমেরীয়
গ) মিশর
ঘ) চীন
Note : সভ্যতার সূত্রপাতের ইতিহাসে সুমেরীয় জাতিগোষ্ঠী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ সহস্রাব্দে মেসোপটেমিয়ায়, বিশেষ করে উরুক এবং উর নগরীগুলোতে, প্রথম নগর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। তাদের লিখন পদ্ধতি (কিউনিফর্ম), চাকা, সেচ ব্যবস্থা এবং জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক জ্ঞান সভ্যতার বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সুমেরীয়রা কেবল প্রথম নগর সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং তারা লিখন পদ্ধতি, চাকা, সেচ ব্যবস্থার মতো মৌলিক উদ্ভাবনগুলোর জন্ম দিয়েছিল, যা পরবর্তী সকল সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ব্যাবিলন বা মিশরীয় সভ্যতা পরবর্তীতে বিকশিত হয়েছিল।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন