যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলে-
ক) ক্রিয়া
খ) উপসর্গ
গ) বিভক্তি
ঘ) প্রত্যয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে 'প্রত্যয়' বলা হয়। যেমন: চল্ + অ = চল (ক্রিয়া), বাংলা + আই = বাংলাই (বিশেষ্য)।
Related Questions
ক) পঙ্কিল
খ) অপরিস্কার
গ) নোংরা
ঘ) অনির্মল
Note : 'নির্মল' শব্দের অর্থ পরিষ্কার বা স্বচ্ছ। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'পঙ্কিল', যার অর্থ ময়লা বা কাদা।
ক) জলধি
খ) পয়োধির
গ) জলধর
ঘ) শৈবলিনী
Note : 'শৈবলিনী' হলো 'নদী' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। 'জলধি' এবং 'পয়োধি' সমুদ্রের সমার্থক, আর 'জলধর' মেঘের সমার্থক।
ক) আসন্ন বিপদ
খ) মাথাব্যথা
গ) মহাবিপদ
ঘ) মাথার বোঝা
Note : 'শিরে-সংক্রান্তি' বাগধারাটির অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা আসন্ন সমস্যা। এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যা খুব দ্রুত ঘনিয়ে আসছে।
ক) তৎপুরুষ
খ) কর্মধারয়
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note : 'ঈগল পাখী' একটি কর্মধারয় সমাস। এখানে 'ঈগল' (বিশেষ্য) এবং 'পাখী' (বিশেষ্য) উভয়ই প্রধান এবং তাদের মধ্যে ঈগলের মতো পাখীর তুলনা করা হয়েছে।
ক) পদ্ + হতি
খ) পৎ + হতি
গ) পদ্ + ধতি
ঘ) পৎ + ধতি
Note : 'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'পদ্' + 'হতি'। এখানে 'দ্' এর সাথে 'হ' যুক্ত হয়ে 'দ্ধ' হয়েছে।
ক) কর্মে শূন্য
খ) করণে শূন্য
গ) অপাদানে শূন্য
ঘ) অধিকরণে শূন্য
Note : এখানে 'পতন' শব্দটি কোন কারণ থেকে ঘটছে তা বোঝাচ্ছে। 'অহঙ্কার' থেকে পতন হচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারকের শূন্য বিভক্তি।
জব সলুশন