বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস করা হয়েছিল?

ক) ১৯৯২ সালে
খ) ১৯৯৩ সালে
গ) ১৯৯১ সালে
ঘ) ১৯৯০ সালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ' উপজেলা বাতিল' বিলটি পাস হয়েছিল ১৯৯২ সালে।

১৯৮২ সালের ৭ই নভেম্বর স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ ১৯৮২ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীকালে উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। এ সময়ে বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত উপজেলাকে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কেন্দ্রে রূপ দেয়া হয়।

এই অধ্যাদেশটি ১৯৯২ সালে বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা অধ্যাদেশ ১৯৯৮ পাস করে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়। কার্যালয় আদেশের মাধ্যমে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ থেকে এই অধ্যাদেশ কার্যকরী হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন সংশোধন হয়।

Related Questions

ক) Unofficial poll of public opinion
খ) Poll based on random representation
গ) ‘Yes-no’ vote
ঘ) Manipulated elections
Note :

'Straw vote' বলতে বুঝায় Unofficial poll of public opinion.

Straw poll, Straw vote, ও straw ballot অ্যাডহক বা বেসরকারী ভোট। এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জনপ্রিয় মতামত প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি রাজনীতিবিদদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত জানতে এবং ভোট পেতে কী বলার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

'Straw vote' গুলি বড় গ্রুপগুলির মধ্যে চলাচলের মধ্যে কথোপকথন সরবরাহ করে ফলস্বরূপ স্ট্রো পোলগুলি প্রায়শই এটি দেখার জন্য নেওয়া হয় যে এটির পক্ষে আরও সভার সময় উত্সর্গ করার কোনও ধারণার যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে কিনা, এবং (যখন কোনও গোপন ব্যালট নয়) উপস্থিত থাকার জন্য দেখার জন্য প্রশ্নটির কোন দিকে রয়েছে। যাইহোক, রবার্টের আদেশের বিধি অনুসারে সভাগুলিতে স্ট্রো পোল নেওয়ার গতি অনুমোদিত নয়।

ক) ১৯০৬ সালে
খ) ১৮৬৪ সালে
গ) ১৯১৯ সালে
ঘ) ১৮৪০ সালে
ক) শায়েস্তা খান
খ) শাহ সুজা
গ) টিপু সুলতান
ঘ) ইসলাম খান
Note :

লালবাগের কেল্লা (কিলা আওরঙ্গবাদ) ঢাকার দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ। এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে, মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক, যিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র এবং পরবর্তীতে নিজেও সম্রাট পদপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তার উত্তরসুরী, মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন, কিন্তু শেষ করেননি

ক) নেপাল ও ভুটান
খ) পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
গ) পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
ঘ) পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
Note :

- বাংলাদেশের লাগা উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম অবস্থিত।
- এছাড়াও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

ক) লর্ড মিন্টো
খ) লর্ড কার্জন
গ) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
ঘ) লর্ড ওয়াভেল
ক) বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়া গিয়াছে
খ) বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়া গিয়াছে
গ) বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়া গিয়াছে
ঘ) বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত
Note :

কর্কটক্রান্তি রেখা - বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে ।

কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।

পৃথিবী কক্ষতলের উপর লম্বভাবে থাকার বদলে একটু হেলে থাকে। (সারা বছর একই দিকে হেলে থাকে, সবসময় সূর্যের দিকে নয় - তাই জন্যে ঋতু পরিবর্তন হয় - বছরের অর্ধেক সময় উত্তর মেরু সূর্যের দিকে ফিরে থাকে)। কক্ষতলের উপর লম্বের থেকে আহ্নিক অক্ষের এই হেলে থাকা অর্থাৎ অবনতি কোণের পরিমাণ মোটামুটি ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড (২৩.৪৪ ডিগ্রী)। তাই কর্কট সংক্রান্তির (June Solstice) দিন অর্থাৎ সূর্যের উত্তরায়ণের সর্বোচ্চ দিন (যেদিন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে এবং এ গোলার্ধে দিবালোক সবচেয়ে বেশীক্ষণ থাকে) সূর্য যে অক্ষাংশ রেখায় লম্বভাবে আলোকপাত করে সেই ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ রেখাই হল কর্কটক্রান্তি রেখা।

২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হলেও লম্ব আলোকপাতে আসল অবস্থান নির্ভর করে পৃথিবীর হেলে থাকার কৌণিক পরিমাণের উপর। আর সেই কোণটি প্রতি ৪১,০০০ বছরের একটি চক্রাকার পর্যায়ক্রমে ২১.৫ থেকে ২৪.৫ ডিগ্রীর মধ্যে বদলাতে থাকে। সেই হিসাবে বর্তমান পর্যায়ে কর্কটক্রান্তি রেখার অবস্থান প্রতি বছর আধ সেকেন্ড করে কমে আসছে। এছাড়া ধীর পরিবর্তন ছাড়াও আহ্নিক অক্ষটি ঘুর্ণণরত লাট্টুর মতই স্থায়ী না থেকে প্রিসেশন নামে একটি বলয়াকার গতি এবং ন্যুটেশন নামে একটি দোদুল্যমান গতি পরিদর্শন করে। ন্যুটেশনের পর্যায়কাল পৃথিবীর ক্ষেত্রে ১৮.৬ বছর এবং কৌণিক পরিমাণ প্রায় সাড়ে নয় সেকেন্ড। রেখাটি নির্দিষ্ট নয় এবং এটি প্রত্যেক বছর ১৫ মিটার(০.৪৮৬″) করে দক্ষিণদিকে সরে যাচ্ছে। রেখাটি ১৯১৭ সালে ছিল ২৩° ২৭′ এবং ২০৪৫ সালে ২৩° ২৬'অক্ষাংশে পৌঁছাবে।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন